নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে পুনরায় তিন মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান তাঁদেরকে রিমান্ডে নেওয়ার পৃথক নির্দেশ দেন।
গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা এক মামলায় আজিজুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাঁর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল আলম। পরে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে ২০১৩ সালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় মতিঝিল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন এসআই আব্দুর রাজ্জাক। আদালত জুবায়ের আহমেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
হেফাজতের এই দুই নেতাকে গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন এসআই এনামুল হক। পরে আদালত দুইজনের প্রত্যেককে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, মাওলানা আজিজুল হক গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হন। ওই দিন রাতেই তাঁকে ঢাকায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর পল্টন থানায় ২০১৩ সালে হেফাজতের তাণ্ডবের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরদিন আদালতে পাঠানো হয়। ঢাকার আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে দ্বিতীয় দফায় আবারও দুই মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। অন্যদিকে হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে ১৬ এপ্রিল লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০১৩ সালে পল্টন থানায় দায়ের করা একটি নাশকতার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ওই মামলায় তাঁকেও তিন দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়।

ঢাকা: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে পুনরায় তিন মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান তাঁদেরকে রিমান্ডে নেওয়ার পৃথক নির্দেশ দেন।
গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা এক মামলায় আজিজুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাঁর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল আলম। পরে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে ২০১৩ সালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় মতিঝিল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন এসআই আব্দুর রাজ্জাক। আদালত জুবায়ের আহমেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
হেফাজতের এই দুই নেতাকে গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন এসআই এনামুল হক। পরে আদালত দুইজনের প্রত্যেককে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, মাওলানা আজিজুল হক গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হন। ওই দিন রাতেই তাঁকে ঢাকায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর পল্টন থানায় ২০১৩ সালে হেফাজতের তাণ্ডবের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরদিন আদালতে পাঠানো হয়। ঢাকার আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে দ্বিতীয় দফায় আবারও দুই মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। অন্যদিকে হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদকে ১৬ এপ্রিল লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০১৩ সালে পল্টন থানায় দায়ের করা একটি নাশকতার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ওই মামলায় তাঁকেও তিন দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে