টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যাত্রীদের কাছ থেকে লুট হওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও ১৯টি মোবাইল ফোন ডাকাতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহিমপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির, আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে সিহাব সরকার ও মৃত ইমান আলী শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম।
রোববার রাতে সিরাজগঞ্জ থেকে ডাকাতদের গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে গেল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার আবদুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল, আশুলিয়া থেকে কিছু যাত্রী ওঠেন। প্রায় ১০ নারীসহ ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা অতিক্রম করে। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর যাত্রীবেশী ৮-১০ জন ডাকাত ছুরি, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্রের মুখে চালকের কাছ থেকে বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
চলাচলের সময় প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন, নগদ ২ লাখ ১৯ হাজার টাকা, সোনা ও অন্য মালামাল লুটে নেয়। তারা বাসটি নিয়ে সাভারের চন্দ্রা-আশুলিয়া পর্যন্ত যায়। পরে রাতভর কয়েকবার বাসটি নিয়ে ওই এলাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চক্কর দেয়।

জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দা পুলিশসহ একাধিক পুলিশের টিম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ডাকাতদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যাত্রীদের কাছ থেকে লুট হওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও ১৯টি মোবাইল ফোন ডাকাতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহিমপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির, আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে সিহাব সরকার ও মৃত ইমান আলী শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম।
রোববার রাতে সিরাজগঞ্জ থেকে ডাকাতদের গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে গেল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার আবদুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল, আশুলিয়া থেকে কিছু যাত্রী ওঠেন। প্রায় ১০ নারীসহ ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা অতিক্রম করে। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর যাত্রীবেশী ৮-১০ জন ডাকাত ছুরি, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্রের মুখে চালকের কাছ থেকে বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
চলাচলের সময় প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন, নগদ ২ লাখ ১৯ হাজার টাকা, সোনা ও অন্য মালামাল লুটে নেয়। তারা বাসটি নিয়ে সাভারের চন্দ্রা-আশুলিয়া পর্যন্ত যায়। পরে রাতভর কয়েকবার বাসটি নিয়ে ওই এলাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চক্কর দেয়।

জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দা পুলিশসহ একাধিক পুলিশের টিম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ডাকাতদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে