Ajker Patrika

ঈদে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে প্রতিবেশীদের হামলায় নারী নিহত

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি 
ঈদে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে প্রতিবেশীদের হামলায় নারী নিহত
প্রতীকী ছবি

বগুড়ার আদমদীঘিতে ঈদে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রতিবেশীদের হামলায় উম্মে হাবিবা ঊর্মি (৩২) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের বোন, বোনের স্বামী ও দুই সন্তানসহ আরও অন্তত চারজন আহত হন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার উজ্জ্বলতা গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আজ শনিবার নিহতের বড় বোন মোছা. উম্মে হাফিজা প্রতিবেশী কহির ফকির ও সিরাজুল ইসলামসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আদমদীঘি থানায় মামলা করেছেন।

নিহত উম্মে হাবিবা ঊর্মির বাড়ি নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ভেবরা গ্রামে। ঈদ উপলক্ষে ১৫ দিন আগে বগুড়ার আদমদীঘির উজ্জ্বলতা গ্রামে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী উম্মে হাফিজার সঙ্গে একই এলাকার মো. কহির ফকির ও সিরাজুল ইসলামদের অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছে। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হাফিজা ও তাঁর ছেলেকে মারধর করলে থানায় একটি মামলা করেন হাফিজা। ওই মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এর পর থেকে ফকির ও সিরাজুল পক্ষ মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য হাফিজার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাপ দিয়ে আসছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কেনাকাটার জন্য হাফিজা ও তাঁর বোন হাবিবা আদমদীঘি যাওয়ার পথে অভিযুক্তরা রামদা, কুড়াল, শাবল ও লোহার রড নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করেন। হামলাকারীরা প্রথমে হাফিজার স্বামী ফয়সাল ইসলাম লিটনের মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। পরে হাফিজা, তাঁর মেয়ে নুসরাত জাহান, ছেলে ফারসিদ ও ছোট বোন উম্মে হাবিবা ঊর্মি তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাঁদের এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। প্রাণ বাঁচাতে নুসরাত ও ঊর্মি স্থানীয় শফিকুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা সেখানে ঢুকেও তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে মাথায় ও শরীরে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই উম্মে হাবিবা ঊর্মির মৃত্যু হয়।

মামলার বাদী উম্মে হাফিজা বলেন, ‘আমার ছোট বোন হাবিবার স্বামী বাড়িতে না থাকায় ১৫ দিন আগে ঈদ করতে আমাদের বাড়িতে আসে। গতকাল কেনাকাটার জন্য আমরা সপরিবারে বের হলে প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটায়। আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি আছেন।’

আদমদীঘি থানার ওসি আতাউর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার নেই। তবে পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান, পারাপারে মানতে হবে যে শর্ত

ইরান আক্রমণ: ৫০ বছর কোনো প্রেসিডেন্ট সাহস করেননি, ট্রাম্প কেন ঝুঁকি নিলেন

ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে আনার সময়সীমা বললেন ট্রাম্প

ইরাক থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করছে ন্যাটো, যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র বেচবে না সুইজারল্যান্ড

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ধস নামবে মার্কিন অর্থনীতিতে: ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তা

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত