কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দোকানকর্মীকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন লিটন চন্দ্র ঘোষ (৫৫) নামের এক হোটেল ব্যবসায়ী। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই পরিবারের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত লিটন চন্দ্র ঘোষ ওরফে কালি ঘোষ চান্দাইয়া এলাকার নির্মল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। তিনি পৌরসভা-সংলগ্ন ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’-এর মালিক ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বালীগাঁও এলাকার মোহাম্মদ স্বপন মিয়া (৫৫), তাঁর স্ত্রী মাজেদা খাতুন (৪৫) এবং তাঁদের ছেলে মাসুম মিয়া (২৮)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে মাসুম মিয়া ওই হোটেলে খাবার খেতে যান। বেলা ১১টার দিকে কোনো এক তুচ্ছ বিষয়ে হোটেলের কর্মচারী অনন্ত দাসের (১৭) সঙ্গে মাসুমের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে মাসুমের বাবা স্বপন মিয়া ও মা মাজেদা খাতুন ঘটনাস্থলে এসে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হোটেলের মালিক লিটন চন্দ্র ঘোষ তাঁর কর্মীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকেও বেধড়ক মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলচা দিয়ে লিটন চন্দ্রের মাথায় আঘাত করা হলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত স্বপন, তাঁর স্ত্রী মাজেদা ও ছেলে মাসুমকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দোকানকর্মীকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন লিটন চন্দ্র ঘোষ (৫৫) নামের এক হোটেল ব্যবসায়ী। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই পরিবারের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত লিটন চন্দ্র ঘোষ ওরফে কালি ঘোষ চান্দাইয়া এলাকার নির্মল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। তিনি পৌরসভা-সংলগ্ন ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’-এর মালিক ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বালীগাঁও এলাকার মোহাম্মদ স্বপন মিয়া (৫৫), তাঁর স্ত্রী মাজেদা খাতুন (৪৫) এবং তাঁদের ছেলে মাসুম মিয়া (২৮)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে মাসুম মিয়া ওই হোটেলে খাবার খেতে যান। বেলা ১১টার দিকে কোনো এক তুচ্ছ বিষয়ে হোটেলের কর্মচারী অনন্ত দাসের (১৭) সঙ্গে মাসুমের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে মাসুমের বাবা স্বপন মিয়া ও মা মাজেদা খাতুন ঘটনাস্থলে এসে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হোটেলের মালিক লিটন চন্দ্র ঘোষ তাঁর কর্মীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকেও বেধড়ক মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলচা দিয়ে লিটন চন্দ্রের মাথায় আঘাত করা হলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত স্বপন, তাঁর স্ত্রী মাজেদা ও ছেলে মাসুমকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনাগামী আন্তনগর ডাউন রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় চার তরুণকে আটক করেছে জিআরপি পুলিশ। শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
১৬ মিনিট আগে
পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) বিলুপ্ত হয়নি; বরং দলের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানাল দলটি। ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে