
রাকিবুল ইসলাম (গাংনী) মেহেরপুর
রাকিবুল ইসলাম (গাংনী) মেহেরপুর
সকল লেখা

বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনে সফল গাংনী পৌরসভা, উপকৃত কৃষক ও পরিবেশ
মানুষ সাধারণত পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু এড়িয়ে চলে। খাদ্যতালিকার সবজি, ভাত কিংবা ফলমূল সামান্য নষ্ট হলেই তা ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু সেই পরিত্যক্ত বর্জ্যই এখন সম্পদে পরিণত হচ্ছে মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভায়। পরিবেশবান্ধব ইন্টিগ্রেটেড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (IWM) পদ্ধতিতে শহরের...

গাংনীর রাস্তাগুলোর বেহাল দশা, ভোগান্তি
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে সড়কে চলাচলকারী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে রাস্তাগুলোয় পানি জমে যায়।

চিকিৎসক নেই, অস্ত্রোপচার বন্ধ
চিকিৎসক সংকটে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। গত চার বছরে মাত্র একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর অস্ত্রোপচার হয়। এরপর অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) ও সার্জনের অভাবে অস্ত্রোপচার বন্ধ আছে। ফলে বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে হচ্ছে উপজেলাবাসীকে।

মেহেরপুরের গাংনী: ধান-গম ছেড়ে তামাক চাষ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেরাইল এলাকায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ধান, গমসহ নানা ধরনের ফসল। তারই মাঝখানে একখণ্ড জমিতে কোদাল দিয়ে তামাকগাছ পরিচর্যা করছেন এক কৃষক। একসময় এই জমিতেও বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হতো। অধিক লাভের প্রলোভনে এখন সেখানে ঢুকে পড়েছে তামাক চাষ।

মেহেরপুরের গাংনী: বাড়ছে অ্যানথ্রাক্স রোগী, ১০ মাসে শনাক্ত ৫২৭
মেহেরপুরের গাংনীতে দিন দিন বাড়ছে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের সংখ্যা। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বাসিন্দারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৫২৭ জনের অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। গত ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত (১২ বছর) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬৩ জনে। উপজেলা

বৃষ্টিতে গাংনীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ
মেহেরপুরের গাংনীতে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাহৃত হচ্ছে পাঠদান। প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানিতে থৈ থৈ করছে। প্রবেশ পথসহ খেলার মাঠগুলো পানিতে টইটম্বুর। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এ সকল প্রতিষ্ঠানে। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হয় না স্থায়ী কোনো সমাধান।

গাংনীতে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দির রোগী, পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
মেহেরপুরে গাংনীতে জ্বর, সর্দি, কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই রয়েছে রোগী। রোগ নিয়ে কেউ কেউ গ্রাম্যচিকিৎসকের কাছে গেলেও অধিকাংশই ছুটছে সরকারি হাসপাতালে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ৫০ শয্যার বিপরীতে শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছে। সেখানে শিশুসহ সব বয়সী রোগী রয়েছে।

গাংনী হাসপাতালে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সরঞ্জাম, রোগীরা ছুটছেন ক্লিনিকে
এক্স-রে মেশিন ও অপারেশন থিয়েটার থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান না থাকায় সেগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অচল। ফলে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

গাংনীর খুদে বিজ্ঞানী আল কাসাভ: রকেট ইঞ্জিনিয়ারের স্বপ্নে উদ্ভাবনের আলো
‘আমার তৈরি প্রজেক্টগুলো হলো– রকেট গাইডেন্স অ্যান্ড ফ্লাইট ট্রাজেক্টরি কন্ট্রোল, কিউরিসিটি রোভার-০১, লেজার কমিউনিকেশন সিস্টেম, বাংলাদেশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং Kasav-0.5 km।’

৩ বছরে অস্ত্রোপচার একটি, বন্ধ এক্স-রে
এক্স-রে মেশিন, অপারেশন থিয়েটার—সবই আছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তবে জনবলসংকটে এক্স-রে ও অস্ত্রোপচার হচ্ছে না। গত ৩ বছরে মাত্র একবার অস্ত্রোপচার হয়েছে। তা-ও এক প্রসূতির। আর এক্স-রে বন্ধ রয়েছে গত ফেব্রুয়ারি থেকে।

কাটা পড়ছে গাছ, নিরাপদ আশ্রয় হারাচ্ছে পাখি
নগরায়ণসহ নানা কারণে কাটা পড়ছে রাস্তার, বাড়ির পাশের, বাগানসহ বিভিন্ন জায়গার গাছ। ছোট-বড় সব ধরনের গাছ কাটা হচ্ছে। এতে প্রকৃতি যেমন হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য, তেমনি পাখিরা হারাচ্ছে আশ্রয়স্থল। এই চিত্র এখন মোটামুটি গোটা দেশের। ব্যতিক্রম নয় মেহেরপুরের গাংনীও।
