
মুফতি খালেদ কাসেমি
মুফতি খালেদ কাসেমি
সকল লেখা

অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় অনধিকার চর্চা
মানুষের মনে কৌতূহল থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই কৌতূহল যখন সীমালঙ্ঘন করে অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরে আঘাত হানে, তখন তা পরিণত হয় অনধিকার চর্চায়। আধুনিক যুগে প্রতিবেশীর জানালায় কুদৃষ্টি দেওয়া, আঙিনায় উঁকি দেওয়া কিংবা গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত চাক্ষুষ করার প্রবণতা সামাজিক শান্তি

ইসলামে দরিদ্র ও দুর্বল মানুষের মর্যাদা
মহানবী (সা.) আরবের সমাজে প্রচলিত বৈষম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা আমূল বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দরিদ্রদের দূর দূর না করে পরম স্নেহে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের উপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন এবং নিজেকেও চিরকাল তাদের কাতারে শামিল রাখতে ভালোবেসেছিলেন। হজরত জুলাইবিব (রা.) নামে এক সাধারণ সাহাবির জীবনের ঘটনাই এর বড়

অহেতুক কথা বলা নিন্দনীয়
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী রয়েছে, যা মহান আল্লাহর সৃষ্টি। এর মধ্যে মানুষকেই পূর্ণমাত্রায় বুদ্ধি ও বাক্শক্তি দেওয়া হয়েছে। মানুষের প্রতি এটি আল্লাহ তাআলার বড় অনুগ্রহ।

মানুষ হত্যা বড় গুনাহের কাজ
সমাজে খুনখারাবি ও হত্যাকাণ্ডকে তুচ্ছ বিষয় মনে করা হয়। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা মহাপাপ। প্রত্যেক মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলে ইসলাম।

মৃত্যুর ব্যাপারে উদাসীনতা আল্লাহর অবাধ্যতা
জীবমাত্রই মরণশীল। মানুষও এর ব্যতিক্রম নয়। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তারপর তোমাদের সকলকে আমারই কাছে ফিরিয়ে আনা হবে।

ন্যায্য মজুরি শ্রমিকের অধিকার
পরিশ্রম করে উপার্জন করা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নিজ হাতে উপার্জন করতে উদ্বুদ্ধ করেছে ইসলাম। মহানবী (সা.) বলেন, ‘নিজ হাতের কামাইয়ের চেয়ে উত্তম খাবার কেউ কখনো খায়নি। আল্লাহর নবী দাউদ (আ.) নিজ হাতে কামাই করে খেতেন।’ (বুখারি) একজন শ্রমিক এই প্রশংসনীয় কাজের মাধ্যমেই জীবিকা অর্জন করে থাকেন।

অপচয় রোধে সচেতনতা জরুরি
সম্পদ আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক মহা নেয়ামত। মানবজীবনে সম্পদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজন পূরণে সম্পদ আবশ্যক।
