
শাহানা হুদা রঞ্জনা
শাহানা হুদা রঞ্জনা
সকল লেখা

প্রচণ্ড গুলির শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যে শিশুর
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরবেলা ঘুম ভেঙে গেল প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দে। দৌড়ে আব্বা-আম্মার ঘরে গেলাম। সবাই হকচকিত। ভয়ে কুঁকড়ে গেলাম। আমাদের আসাদগেট নিউ কলোনির বাসাটা ৩২ নম্বরের খুব কাছেই ছিল। ফলে অত ভোরে গুলির শব্দ যেন ঝনঝন করে এসে আমাদের কানে লাগছিল। তখনো আমরা জানতে পারিনি বঙ্গবন্ধুর বাসায় গুলি চলছে।

অমিত হাবিব ছিলেন নাগরিক কপটতাবিরোধী
ভোরের কাগজ অফিসে কাজ শুরু করেছিলাম ১৯৯৬ সালে। অমিতদা তখন নিউজরুমের বস। প্রথমে বসকে বস হিসেবেই দেখতে শুরু করলেও কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারি অমিতদা আসলে অন্য প্যাটার্নের বস। এই বস কাজের সময় কঠিন-কঠোর, কাজ ফুরালেই গল্পবাজ, ফুর্তিবাজ মানুষ।

মুর্মুর নিয়োগকে খাটো করার অবকাশ নেই
ভারত কোনো স্বর্গরাজ্য নয় বা কোনো কল্যাণমূলক আধুনিক রাষ্ট্রও নয়। অসংখ্য সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচকতার মধ্যেও একজন আদিবাসী সাঁওতাল নারী ভারতের রাষ্ট্রপতি হওয়ায় আমরা আনন্দিত হয়েছি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে এবং তাঁর উঠে আসার প্রক্রিয়াকে অভিনন্দন জানাই।

আর কত পেছনে টানা
ছয়-সাত বছর আগে ধানমন্ডি লেকের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মাঝবয়সী এক নারী আমাকে বললেন, ‘মাথায় কাপড় দেন নাই কেন? কাপড় দেন।’ আমিও প্রায় মধ্যবয়স্ক এক নারী, কাজ করে খাই।

শিউলি আপা এক শক্তির নাম
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে আব্বা-আম্মার সঙ্গে দৌড়ে গেলাম পাড়ার মোড়ে। দৌড়াতে দৌড়াতেই আব্বা শুধু বলতে লাগলেন: ‘আমরা স্বাধীন হয়েছি, আমরা স্বাধীন হয়েছি।’ শুনলাম, গ্রিনরোডের সেই রাস্তা দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যাবেন। পাড়ার
