
শাওন মাহমুদ
শাওন মাহমুদ
সকল লেখা

একাত্তরের সাহসী মুখ
বাবার সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া বাকি ছয়জনের সবার পরিবারের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। শহীদ হাফিজের ছোট বোন আর তাঁর ভাগনের সঙ্গে অল্প হলেও যোগাযোগটা রয়ে গেছে। ফুপির থেকে হাফিজের অনেক ছবি পেয়েছিলাম। শহীদ বকরের বড় ভাই মোজাফ্ফর মামা ক্যানসারে ভুগে মারা গেছেন। তাঁর থেকেই বকরের একমাত্র ছবিটা পাওয়া। জরাজীর্ণ ছবিটাকে

শহীদজননী বেঁচে আছেন আমাদের মননে
১৯২৯ সালের ৩ মে জুরুর জন্ম। জুরু, অর্থাৎ জাহানারা ইমাম। রুমী ও জামী—দুই সন্তান বড় হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে জন্মদিনে চমকিত হতে ভালোবাসতেন তিনি। প্রতিবছরই রুমী আর জামী একসঙ্গে মাকে তাই জন্মদিনে বিস্মিত করার উপাদান খুঁজে খুঁজে বের

লাল-সবুজের পতাকায় বেঁচে থাকবেন তাঁরা
হয়তোবা কখনো আমাদের মনে হতেই পারে যে চারপাশে যা হচ্ছে বা ঘটছে, তার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছি না। হয়তোবা যাপিত জীবনে কারও কাজে আসছি না। হয়তোবা নিজের গুণ যা আছে, তা দিয়ে কাউকে খুশি করা যাচ্ছে না। হয়তোবা আমাদের যা করার ইচ্ছে জাগে, তার কোনোটাই সঠিক পথ খুঁজে পায় না। হয়তোবা আমরা কোনো কাজেই আসছি না—এমন সময় সব

একাত্তর এবং ক্রমশ…
একাত্তরের জুলাই মাসের প্রথম দিকেই ছেলেরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অস্ত্র নিয়ে ঢাকায় ফিরতে থাকে। তাদের অনেকের সঙ্গে বাবার যোগাযোগ হয়। প্রথম যোগাযোগ কার সঙ্গে হয়েছিল, তা মা বা মামাদের কারও জানা নেই। সব কথা বলার অভ্যাস ছিল না তাঁর, নিজেকে সামলে নিতে পারতেন।

তোমাদের যা বলার ছিল…
ভাষা আন্দোলনে বাঙালির সর্বোচ্চ এবং শ্রেষ্ঠ অর্জন ছিল, স্বকীয়তা। আমরা যে এক অনন্য, অসাধারণ এবং অন্যতম চেতনা বহনকারী জাতি, তার স্পষ্ট অবয়ব আঁকা হয়ে গিয়েছিল সেই বছরগুলোতেই। মাতৃভাষা রক্ষায় আমরা রক্তে ভেসেছি, ভূমি রক্ষায় রক্তঋণে আবদ্ধ হয়েছি সেই ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত।

কত গভীর ছিল তাঁর দেশপ্রেম
একাত্তরের কথা যখন লিখতে বসি, তখন অবাক হয়ে ভাবি যে সাধারণ মানুষগুলো শুধু দেশকে স্বাধীন করতে হবে জেনেই যুদ্ধ করার জন্য এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁরা শত্রুর মোকাবিলায় নিজেদের বুদ্ধিতে প্ল্যান ‘এ’ ছাড়া আর কোনো প্ল্যান ‘বি’ বা ‘সি’ নিয়ে ভাবেননি। ধরা পড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সহযোদ্ধা বা পরিবারকে

গণমাধ্যম
সমাজে গণমাধ্যম যত ক্ষমতা নিয়ে সচল হয়ে উঠতে থাকে, দেশ ও জনগণের ওপর এর প্রভাবের ধরন হয়ে ওঠে ভিন্ন ভিন্ন। গণমাধ্যম ক্ষমতা নিয়ে হিসাব করা শুরু করলে নিজেরাই ইস্যু তৈরি করে, সেই ইস্যুর পক্ষে বা বিপক্ষে নেতিবাচক প্রচারণা চালায় বা চালানোর সুযোগ পথ তৈরি করে দেয়

শিক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য
বাংলাদেশের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কারও তেমন নজর দেওয়ার সময় নেই। জনসংখ্যা বাড়ছে দ্রুতগতিতে, নীতিনির্ধারণ হচ্ছে ধীরলয়ে, নির্ধারিত নীতির বাস্তব রূপায়ণে মন্থর মনোভাব। দুর্নীতির সূক্ষ্ম জালে জং ধরে গেছে মানবিক মূল্যায়নের নৈতিকতা।
