
রহমান মৃধা
রহমান মৃধা
সকল লেখা

লজ্জার কথা!
অতীতে গ্রামে সব ধরনের খাবার যেমন শাকসবজি, ফলমূল, হাঁস-মুরগি, দুধ ইত্যাদি সহজলভ্য ছিল। কিছু খেতে ইচ্ছে হলে কখনো ভাবিনি যে ‘এটা খাওয়া যাবে না’ বা ‘ওটা খেলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।’ মনের আনন্দে যখন যেটা খুশি সেটা খেয়েছি কোনো সমস্যা ছাড়াই। সে সময়ও ভেজাল নিয়ে কথা হয়েছে বটে। যেমন, মসুরের মধ্যে

রাজনীতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সামাজিক সমতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আমি প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই: আমি তিনটি দেশের নাগরিক হলেও বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই, সংবিধান তা অনুমোদন করে না।

বিশ্বের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলো নাগরিকদের জীবনের সার্বিক উন্নতির জন্য সব সময় নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করে। এরা বিভিন্ন বিষয়ে জরিপ করে কীভাবে দেশ এবং জনগণকে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করা যায়। সম্প্রতি সুইডেনের স্টকহোমের পৌরসভার একটি জরিপে লিডিংও (Lidingö) শীর্ষে, তাবি

কে জ্ঞানী
জীবনে যে অর্থের খুব প্রয়োজন, সেটা তো অস্বীকার করা যায় না। অন্যদিকে ক্ষমতার জোর না থাকলে তো সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে অর্থ ও ক্ষমতা থাকলে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা অনেক সহজ হয়।

মানবতার মড়ক
দেশ ও জাতিকে অভ্যন্তরীণ বা বহিঃশত্রু থেকে রক্ষা করা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রথম কাজ। সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের ব্যর্থতায়, বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সর্বস্তরে দুর্নীতির ছোঁয়া লেগেছে। যে দেশে কোনো অপরাধীকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের প্রয়োজন,

তৃণমূলের রাজনীতি কর্মীতেই সীমাবদ্ধ
বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ আছে বলে জানা নেই, যেখানে প্রভাব এবং প্রতাপশালী বা তাদের চৌদ্দগোষ্ঠী রাজনীতিতে উড়ে এসে জুড়ে বসে। ফলে যারা তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছে, তাদের ভাগ্যের দ্বার খোলেনি।

তবে আমি ঘুষ খাই না
আমি খাঁটি বাঙালি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি। অনেক সময় দেশের ভালো-মন্দ নিয়ে কথা বলি। তার কারণ হচ্ছে, ‘শাসন করা তারই সাজে, সোহাগ করে যে’। আমি আমার দেশ স্বাধীন করা থেকে বিপদে, আপদে, সুদিনে, দুর্দিনে, নিশ্বাসে, বিশ্বাসে আছি।

গণতন্ত্র: কী ভাবছে নতুন প্রজন্ম
যখন গণতন্ত্রের ভাঙন শুরু হতে চলেছে পশ্চিমা দেশগুলোতে, ঠিক তেমনি এক সময়ে বাংলাদেশের মতো অনেক দেশ গণতন্ত্রের স্বাদ পেতে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বিলীন করতে ডিজিটাল পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে আবেগ ভরা মতামত পোষণ করে চলছে।

তরুণদের প্রয়োজন দিকনির্দেশনা
তরুণদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ এখনো অনেক দূরে। বাঙালি জাতি স্বাধীন হলেও এবং দেশের অনেক উন্নতি হলেও এর সুফল সবাই ভোগ করতে পারছে না। মুষ্টিমেয় ক্ষমতাবানেরা এর সুফল ভোগ করছে, যা স্বাধীনতার চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

পণ্য উৎপাদন এবং পেছনের কথা
১৯৯৫ সালের দিকে সুইডেনের শিল্পকারখানায় হিড়িক পড়ে গেল অটোমেশন ও আউটসোর্সিংয়ের ওপর। এর মূলমন্ত্র ছিল হাইটেকের ব্যবহার শুরু করা আর লো-টেক এবং লো-টাচ দূর করা। সে আবার কী? ইন্ডাস্ট্রি সব সময় শীর্ষে থাকবে, প্রথম দিন থেকে, এটাই তখন সবার চিন্তাভাবনা। ম্যানুয়ালি যা তৈরি করা হতো, তা আউটসোর্সিং করা হবে।

দরকার শুধু অনুপ্রেরণার
মনের গতি যত দ্রুতই হোক না কেন, সীমানার বাইরে যাওয়ার মতো সক্ষমতা আমাদের নেই। তাই সব গতির ঊর্ধ্বে মনের গতি থাকলেও মনের গতির ঊর্ধ্বেও আরেক গতি রয়েছে। সেই গতি আমাদের অজানা, আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। সেই গতির নাম ইনফিনিটি গতি। মানুষের জ্ঞানভান্ডারের গতির শেষ কোথায় গিয়ে থামবে—এই প্রশ্নের উত্তর এই মুহূর্তে ক

ভাবনায় দেশ
অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম ও শেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর। এই দিনে আওয়ামী লীগ সেই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তখনো আর যাই হোক, ভোট চুরি বা ছিনতাই হয়নি। তবে পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী সেই নির্বাচনের পর বিজয়ী শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা করেছিল।

লজ্জার শেষ কোথায়
আমরা যারা সমালোচনা করি, আমাদের তেমন কোনো যোগ্যতা নেই। তবে যাঁদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করি, সেই ব্যক্তিরা নিঃসন্দেহে যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন। তাঁরা অভিজাত, সুনামধারী বটে। তাঁরা এ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই সমালোচিত হওয়ার জন্যও বহু যোগ্যতার দরকার হয়, যা বাংলাদেশের আমলা ও জনপ্রতিনিধ

কোনটায় আক্রান্ত হতে চান?
জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে আমরা কিন্তু অস্ত্র নয়, বই হাতে নিই। আবার এমনও সময় জীবনে আসে বা আসতে পারে, যখন আমরা বই ফেলে অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য হই। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের তাগিদে বই ছেড়ে অস্ত্র ধরেছিলাম, পরে দেশ স্বাধীন হলে অস্ত্র ছেড়ে বই ধরেছি। পৃথিবীতে অনেক দেশ রয়েছে, যারা এখনো এই কাজ করে চলেছে। অনেকের ধারণা

দেশ গড়তে…
একাত্তর সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল—এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। আমরা স্বাধীন হয়েছি এবং মুক্তি পেয়েছি পাকিস্তান থেকে। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জন করতে পারিনি আজও। যার ফলে আমেরিকা, চীন, ভারত এবং রাশিয়া এখনো বলছে আমাদের কী করতে হবে এবং কী করতে হবে না।

দুর্নীতি সহ্য করা যাচ্ছে না
বাঙালি জাতির অতীত কেমন ছিল, শতভাগ বলতে পারব না। তবে তারা অতিথিপরায়ণ ছিল বলা যেতে পারে, তা না হলে ব্রিটিশদের জায়গা দিত বলে মনে হয় না। সময়ের সঙ্গে বাঙালি জাতি হারাতে শুরু করে ব্যক্তিত্ব, সঙ্গে নৈতিকতা। পরে ব্রিটিশের চামচা হয়ে যায়। ব্রিটিশরা চলে গেলেও চামচামি রয়ে গেছে, সঙ্গে যোগ হয়েছে ‘তেল’ মারার প্রবণ
