
মো. জাকিরুল ইসলাম, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
মো. জাকিরুল ইসলাম, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
সকল লেখা

সিন্ডিকেটে ধান ক্রয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার মুন্সিরহাট সরকারি খাদ্যগুদামে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের পরিবর্তে সিন্ডিকেট থেকে ধান কেনার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন অনলাইনে নিবন্ধন করেও ধান বিক্রি করতে না পারা প্রান্তিক কৃষকেরা।

‘খবর হুনলে মনে অয়, দেশে কোনো কিছুর অভাব নাই, বাজারে গেলে আগুন’
‘এহন ডাইল ভাত লবণ দিয়া খাইয়া বাঁচব, সেই উপায় নাই। বাজারে আইলে হুনি সব জিনিসের দাম বাড়তি। টিভির খবর হুনলে মনে অয় দেশে কোনোকিছুর অভাব নাই, বাজারে গেলে বুজুন যায় জিনিসপাতির দামে কিরুম আগুন লাগছে। সরকার এইগুলায় কি নজর দিবার পারে না?’

সড়কঘেঁষা দুই বিদ্যালয়, সীমানাপ্রাচীর না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি
সড়ক ঘেঁষে পাশাপাশি রয়েছে দুটি বিদ্যালয়। একটি প্রাথমিক, অন্যটি মাধ্যমিক। বিদ্যালয় দুটিতে রয়েছে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী। কোনো প্রাচীর না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের দাবি দ্রুত সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের।

বন্য হাতির তাণ্ডব: ফসল বিনষ্টের অর্ধেক ক্ষতিপূরণও মেলে না
ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাটের প্রান্তিক চাষি আজাহার আলী ধারদেনা করে পাহাড়ি ঢালে ৩০ শতাংশ জমিতে ঝিঙে লাগিয়েছিলেন। ফলনও ভালো হয়েছিল। কিন্তু সবজি বাজারজাত করার কয়েক দিন আগে এক রাতে বন্য হাতির দল হানা দিয়ে মাড়িয়ে ও খেয়ে পুরো খেত সাবাড় করে ফেলে। তখন জানতে পারেন আবেদন করলে বন বিভাগ থেকে ক্ষতিপূরণ পা

হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব বাড়ছে
দেশের ময়মনসিংহ ও শেরপুরের সীমান্তবর্তী জনপদ গারো পাহাড়। গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস এখানে। পাহাড় ও জঙ্গলঘেরা এই জনপদে প্রায় সময় হানা দিচ্ছে খাদ্যের সংকটে পড়া বন্য হাতির দল। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসল, ঘরবাড়ি। এদের আক্রমণে বাড়ছে প্রাণহানিও। আত্মরক্ষায় কৃষকদের পেতে রাখা ফাঁদে বিভিন্ন সময় মারা পড়ছে হাতি। বছরে

এসেছে বর্ষা, নৌকা তৈরির ফাঁকে ভাটিয়ালি সুর
গারো পাহাড়ের পাদদেশে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা হালুয়াঘাট। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে ছোট-বড় নদ-নদী, খাল-বিল পানিতে টইটম্বুর থাকে। আর সেসবের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে ছোট-বড় নানা ধরনের নৌকা। প্রতিবছর এ সময় নিজেদের নৌকা ঠিকঠাক করাসহ নতুন নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করেন উপজেলার নৌকার কারিগরেরা...

যে পাহাড় কাছে ডাকে
‘ডাকছে পাহাড় ওই চলো যায়/পাহাড় শুধুই ডাকে/রৌদ্র ছায়ার লুকোচুরি দেখি/পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে’। পাহাড়ে গেলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। কবিতা খেলে কবির মনে। পাহাড়ের সৌন্দর্য কাছে টানে না এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। যদি পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের খেলা দেখা যায় তাহলে তো কথাই নেই।

পঞ্চাশ বছর ধরে বাদুড়ের বসত
উঁচু গাছের মগডালে বাদুড়ের ঝুলে থাকা একসময় ছিল গ্রামগঞ্জের স্বাভাবিক দৃশ্য। রাতের বেলায় ভয় জাগানো আঁধারে হঠাৎ কিচিরমিচির ডাকে বাদুড়ের ওড়াউড়ি আতঙ্ক আরও বাড়াত। এখন গ্রামের পর গ্রাম ঘুরলেও দেখা মেলে না উড়তে জানা একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণীটির। গ্রামগঞ্জে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়া আর খাবারের সংকটের কারণে বাদুড় আ
