
মুফতি আইয়ুব নাদীম
মুফতি আইয়ুব নাদীম
সকল লেখা

দায়িত্বে অবহেলা ও পরকালীন জবাবদিহি
ইসলাম প্রত্যেক মানুষকে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করতে নির্দেশ দেয়। অর্পিত দায়িত্বে অবহেলা ও অসচেতনতার কারণে নানা বিপদাপদের পথ উন্মোচন হতে পারে। তা ছাড়া অর্পিত দায়িত্বে অবহেলার কারণে কিয়ামতের ময়দানে জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মনে রেখো, তোমরা সবাই দায়িত্বশীল।

উম্মতের প্রতি নবীজির ভালোবাসা
মহানবী (সা.) পুরো পৃথিবীবাসীর জন্য দয়া, মায়া-মমতা ও ভালোবাসার মহাসাগর ছিলেন। মানব ইতিহাসের সূচনাকাল থেকে আজ অবধি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মতো মানবদরদি কোনো নেতা আসেননি, কিয়ামত পর্যন্ত আসবেনও না। উম্মতের প্রতি তাঁর অগাধ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা উপমাহীন। উম্মতের নাজাত-মুক্তি ও সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনায় তাঁর হৃ

কোরআনে আদর্শ নেতার গুণাগুণ
যে কেউ নেতা হতে পারে না। চাইলেই নেতা হওয়া সম্ভব নয়। নেতা হওয়ার জন্য কিছু গুণ লাগে, কিছু যোগ্যতা লাগে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ইউসুফ (আ.) বললেন, আপনি আমাকে দেশের অর্থ-সম্পদের (ব্যবস্থাপনার) কাজে নিযুক্ত করুন। আপনি নিশ্চিত থাকুন আমি রক্ষণাবেক্ষণ বেশ ভালো পারি এবং এ কাজের পূর্ণ জ্ঞান রাখি।’ (সুরা ই

দারিদ্র্যের বিনিময়ে যে পুরস্কার দেওয়া হবে
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীকে বৈচিত্র্য বৈশিষ্ট্যে সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীর কাউকে ধনী বানিয়েছেন, কাউকে গরিব। তবে সব মানুষই সচ্ছল ও ধনী হতে চায়। কেউ দরিদ্র হতে আগ্রহী নয়। ইসলামও সবাইকে আয়-রোজগার করে সচ্ছল হওয়ার প্রতি উৎসাহ দেয়।

অজু গুনাহকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়
ইসলামের বিধান অনুযায়ী অজু বা পবিত্রতা অর্জন হলো ঈমানের অর্ধেক। অজুর মাধ্যমে যেমন বাহ্যিক পবিত্রতা অর্জন হয়, তেমনি অর্জন হয় আন্তরিক পবিত্রতাও। সব সময় অজু অবস্থায় থাকতে চেষ্টা করা নবীজির সুন্নত। হাদিসে অজুর অনেক ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা ইমানি দায়িত্ব
সম্প্রতি বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক সুবিধাবাদী মানুষ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও আত্মসাৎ করে চলেছে। অথচ রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের ইমানি দায়িত্ব। যেখানে ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ ও লুটতরাজ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম, সেখানে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্

বিপদে পাশে দাঁড়ানোর সওয়াব
মানুষ সামাজিক জীব। তাই সমাজবদ্ধ জীবনে কোনো মানুষের পক্ষে একাকী বসবাস করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে একে অপরের সাহায্য ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। তাই বিপৎসংকুল পরিস্থিতিতে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে।

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়
রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসে কুদসিতে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, যাকে আমার জিকির ও আমার কাছে কিছু চাওয়া থেকে কোরআন বিরত রেখেছে, আমি তাকে প্রার্থনাকারীদের চেয়ে বেশি দান করব।’ রাসুল বলেন, ‘কেননা আল্লাহর কালাম অন্য সব কালামের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, যেমন আল্লাহ তাঁর সব সৃষ্টির চেয়ে শ্রেষ্ঠ।’

আল্লাহর ভালোবাসা বাড়ানোর ৪ আমল
ভালোবাসা মহান আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টি। মুমিনের কল্যাণময় ভালোবাসার অন্যতম ক্ষেত্র হচ্ছে মহান আল্লাহর ভালোবাসা। প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে মহান আল্লাহর ভালোবাসা থাকা জরুরি। আলিমরা আল্লাহর ভালোবাসা বৃদ্ধির চারটি আমলের কথা বলেছেন।

জুলুমের সহযোগীও সমান গুনাহগার
বর্তমান সমাজে সব ক্ষেত্রে জুলুমের ছড়াছড়ি। অথচ আল্লাহ তাআলা জুলুম নিজের জন্যও হারাম করেছেন এবং বান্দাদের জন্যও হারাম করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসে কুদসিতে বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘হে আমার বান্দারা, আমি জুলুম আমার নিজের জন্য

মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি
সাক্ষ্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আদালত ও সামাজিক বিচার-আচারে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যেকোনো বিষয়ের সমাধান করা হয়। বর্তমান যুগে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এমন এক জঘন্য অপরাধ, যার ফলে একজন নিরপরাধ মানুষ অপরাধী সাব্যস্ত হয়ে যায়। কোরআন-সুন্নাহর আলোকে মিথ

বিনয়ীকে আল্লাহ সম্মানিত করেন
বিনয় মানবজীবনের অনন্য সৌন্দর্য। বিনয় প্রতিটি মুমিন-মুসলমানের অপরিহার্য গুণ। বিনয়ী মানুষকে সবাই ভালোবাসে। তাই বাস্তব জীবনে দেখা যায়, বিনয়ের মাধ্যমে সহজে অন্যের সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধন তৈরি হয়।

হাদিসের ভাষায় ইবাদতের চাবি
চাবির মাধ্যমে বদ্ধ জিনিস খোলা যায় এবং ভেতরকার যাবতীয় জিনিস বের করা যায় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি বের করে প্রত্যাশিত উপকার সাধন করা যায়। আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য যত ধরনের ইবাদত ফরজ করেছেন, সব ইবাদতের একটি চাবি আছে। এখানে আমরা হাদিসের আলোকে কয়েকটি ইবাদতের চাবির কথা তুলে ধরব। জান্নাতের চাবি:

পরকালে যা কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে
মানুষ প্রতিদিন যেসব কাজ করে, সেগুলোর প্রতিদান অবশ্যই পাবে। ভালো কাজ করলে ভালো প্রতিদান পাবে এবং মন্দ কাজ করলে মন্দ পরিণতি ভোগ করতে হবে। মানুষকে ভালো প্রতিদান কিংবা মন্দ প্রতিফল প্রদান করা হবে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। মানুষের প্রতিটি কর্মের সাক্ষ্য প্রস্তুত রয়েছে। সেই সব সাক্ষ্য মানুষের পক্ষে বা বি

পাঁচ কাজে দেরি করা অনুচিত
ইসলামে এমন কিছু আমল আছে, যা আদায় করতে মানুষ সাধারণত দেরি করে থাকে। অথচ এসবে দেরি করা অনুচিত। হজরত আলী (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে পাঁচটি আমল তাড়াতাড়ি করার অসিয়ত করেছেন। যথা—
