
নাজমুল ইসলাম
নাজমুল ইসলাম
সকল লেখা

এইচএসসি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও পরামর্শ
আগামীকাল জুন থেকে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। সারা বছর ভালো পড়াশোনা করলেও শেষ মুহূর্তে এসে অনেক শিক্ষার্থী ঘাবড়ে যায়। তাই এ সময় প্রয়োজন যথাযথ কৌশল অবলম্বন করা। পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে এবং হলের করণীয় নিয়ে লিখেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের

ক্যাম্পাসের ভাস্কর্যে স্বাধীনতার স্মৃতি
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়েছে স্বাধীনতার নানা স্মারক ভাস্কর্য। এসব ভাস্কর্য তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছে। এমন কয়েকটি ভাস্কর্যের গল্প তুলে ধরেছেন নাজমুল ইসলাম।

ফুটওভারব্রিজ চাই
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক ঘেঁষে অবস্থিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন এ সড়ক প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে পারাপার হতে হয়। ব্যস্ততম এই সড়কে চলে সিরাজগঞ্জ-টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ঢাকাগামী বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, লোকাল মিনিবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, টমটম, ইজিব

ক্যাম্পাসে চিঠি উৎসব
টেলিগ্রামের যুগ শেষ হয়েছে গত শতকের আশির দশকের দিকে। ফ্যাক্সের যুগ চলেছে আরও কিছুদিন। সেটা ২০০৫ সালের দিক থেকে, সেটাও ধীরে ধীরে জাদুঘরের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষে মানুষে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে টেলিগ্রাম ও ফ্যাক্সের চেয়েও প্রাচীন পদ্ধতি চিঠি

শিক্ষার্থীর নকশায় শহীদ মিনার
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নান্দনিক শহীদ মিনারটির নকশা করেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহবুব হাসান ত্বোহা। সম্ভবত এ ঘটনা বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রথম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কিছুর নকশা করিয়ে নেওয়া

আনন্দ সরোবর লেক
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি করে চিহ্ন থাকে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিহ্ন হলো আনন্দসরোবর লেক। দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কেন্দ্রীয় মাঠের প্রান্ত ঘেঁষে গড়ে উঠেছে এটি। ইংরেজি ‘এল’ বর্ণের আকৃতির এ লেকের পেছনে রয়েছে

আমরা কি সবাই সার্কাসের হাতি?
বাঙালির মনস্তত্ত্ব এই সার্কাসের হাতির মতো। হাতির মতো এরাও সব ধরনের দাসত্ব মেনে নিয়েছে। চোখের সামনে খুন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যা হোক না কেন—এটা তাদের কাছে যেন খুব স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না।

সবাই কি একযোগে সাইকোপ্যাথ হয়ে গেল
সাইকোপ্যাথের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য আছে। তার মধ্যে একটি হলো সহানুভূতির অভাব। অন্যের দুঃখ, কষ্ট, ভীতি বা উদ্বেগকে এরা অনুভব করতে পারে না। তারা মানুষের দুর্দশা সম্পর্কে উদাসীন, এমনকি সে তার বন্ধু বা পরিবারের সদস্য হলেও। বাংলাদেশের জনপরিসরের দিকে তাকালে এই বৈশিষ্ট্যগুলো এখন ভীষণভাবে দৃশ্যমান। এখানে আহতকে প

চাকরির জন্য সিভি তৈরিতে যেদিকে খেয়াল রাখবেন
সিভিতে আপনার সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। যেমন, আপনি কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কী কী কাজ করেছেন, কী কী ডিগ্রি ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সিভিতে উল্লিখিত বিষয়বস্তু বাছাইকৃত হতে হবে। সবকিছু বিস্তারিত লেখার প্রয়োজন নেই।

মহামারিকালে শিক্ষার জন্য কী করেছে সরকার
কোভিড মহামারির নেতিবাচক প্রভাব বিশ্বের সব দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপরই কম–বেশি পড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটানা সাড়ে ১৭ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সবচেয়ে নিরীহ অনুমানও ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু দেশের নীতিপ্রণেতা পর্যায়ে তেমনটি দেখা য

করোনা সংকটে শিক্ষায় কতটা পেছাল বাংলাদেশ
শিক্ষা প্রসঙ্গটি উঠলে এখনো বাংলাদেশে ঘোড়ার সঙ্গে জুড়িগাড়ির মতো করে ‘সংকট’ শব্দটি লেগে যায়। ৫০ বছর বয়সী একটি দেশে এমন হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হচ্ছে। এর কারণ এক কথায় অবহেলা। করোনায় এই অবহেলা আরও দৃশ্যমান হয়েছে। মহামারিকালে দেশ সবচেয়ে বেশি পিছিয়েছে শিক্ষায়, যার দায় শোধে লাগবে দীর্ঘ সময়।

জাতি এখন দাঁড়িয়ে আছে নড়বড়ে মেরুদণ্ডের ওপর
শিক্ষাকে বলা হয় জাতির মেরুদণ্ড। মেরুদণ্ডবিহীন একটি প্রাণী যেমন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি শিক্ষাবিহীন একটি জাতি সমৃদ্ধ হতে পারে না। রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে শিক্ষার ওপর। ফলে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

কেমন হবে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা
অনেকের কাছ থেকে পরামর্শ নিলেও ক্যারিয়ারের পরিকল্পনা নিজেকেই করতে হয়। কারণ, এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন হতে পারে তার পড়াশোনার বিষয়ের দিক থেকেও। নিজের পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্র হতে পারে ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্র

তোত্তোচান: জানালার ধারে ছোট্ট মেয়েটি
তোত্তোচান নতুন স্কুলে ভর্তি হয়। স্কুলটি তার বেশ পছন্দ হয়। রেলগাড়ির ছয়টি কামরা দিয়ে বানানো হয়েছে স্কুলটি। রেলগাড়ির এই স্কুল তোত্তোচানের কাছে আনন্দের উৎস ছিল। এই আনন্দসীমা অতিক্রম করে যখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার দেখা হয়। প্রধান শিক্ষক তোত্তোচানকে বলেন, ‘বলো দেখি তোত্তোচান নিজের সম্পর্কে ক
