Ajker Patrika
Add

জাহীদ রেজা নূর, ঢাকা

জাহীদ রেজা নূর, ঢাকা

সকল লেখা
আমাদের প্রেরণাস্থল সন্জীদা খাতুন

আমাদের প্রেরণাস্থল সন্জীদা খাতুন

কেমন আছেন তিনি? বেশ কিছুদিন খোঁজ নেওয়া হয় না। খোঁজ নিই না ইচ্ছা করেই। মনে হয়, কথা বলতে গিয়ে তাঁর কষ্ট বেড়ে যাবে না তো? কয়েক মাস আগে বেশ কদিন তাঁর কাছে গেছি। ছায়ানটে নয়, তখন বাড়িতেই ক্লাস নিতেন। পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থী আসত। দিন ঠিক করা ছিল। একেক ব্যাচ একেক দিনে।

০৪ এপ্রিল ২০২৪
কুমুদিনীর কাছাকাছি

কুমুদিনীর কাছাকাছি

আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল কুমুদিনী হাজংয়ের কাছে যাওয়ার। বিরিশিরি থেকে খেয়া নৌকায় সোমেশ্বরী নদী পেরিয়ে কিছুটা হেঁটে গেলেই হাজং বিদ্রোহের যে স্মৃতিসৌধ, সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা রাশিমণি হাজংয়ের কথা স্মরণ করেছিলাম। তখনই আমাদের সহযোগী আলতাব বলল, ‘কুমুদিনী হাজংয়ের বাড়িতে যাবেন?’

২৭ মার্চ ২০২৪
‘পৃথিবী সেদিন উল্টো ঘোরেনি এগিয়ে গেছে’

‘পৃথিবী সেদিন উল্টো ঘোরেনি এগিয়ে গেছে’

আজ অমর একুশে। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে এই দিন রক্ত ঝরেছিল। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পঞ্চম বছরে এসেই সন্দেহ, অবিশ্বাস আর শোষণ-বঞ্চনার বিষয়গুলো স্পষ্ট হতে থাকে।

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
গুলির আগের সময়টি

গুলির আগের সময়টি

পূর্ববঙ্গ বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা ৩টায়। সকালে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার ঘোষণা এল, তখন ‘আর্টস বিল্ডিং’-এর সামনের রাস্তায় খাকি হাফপ্যান্ট পরা সশস্ত্র পুলিশ জায়গা করে নিয়েছে।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
কেমন ছিল ভাষা আন্দোলনের ভূগোল

কেমন ছিল ভাষা আন্দোলনের ভূগোল

সকালের সভাটি আমতলায় হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দরজা দিয়ে ১৪৪ ধারা ভাঙার মিছিলগুলো বেরিয়েছিল একের পর এক, সে কথা আগেও বলেছি। সামনের রাস্তায় পুলিশের নৃশংসতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভেতরের ছোট দরজা পেরিয়ে সবাই প্রথমে মেডিকেল কলেজের দিকে যাচ্ছিলেন এবং এরপর মেডিকেলের ভেতর দিয়ে পরিষদ ভবনের

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
উপাচার্য সৈয়দ মোয়াজ্জেমের দোদুল্যমানতা

উপাচার্য সৈয়দ মোয়াজ্জেমের দোদুল্যমানতা

যখন ১৪৪ ধারা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে ১০ জনি মিছিলগুলো বেরোচ্ছিল, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন কী করছিলেন? তিনি যদি তখন বলিষ্ঠ কোনো অবস্থান নিতে পারতেন, তাহলে কি সেদিন গুলিবর্ষণ হতো না? দিনটি হতে পারত অন্য রকম?

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
মিছিলে নারীর প্রদীপ্ত উপস্থিতি

মিছিলে নারীর প্রদীপ্ত উপস্থিতি

২১ ফেব্রুয়ারি সকালে আমতলার সভায় ছাত্রীরা নিজ দায়িত্বেই যোগ দিয়েছিলেন। স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তাঁরা ভেঙেছিলেন ১৪৪ ধারা। আমতলার সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙা হবে কি না, তা নিয়ে অল্প কিছু সময় ধরে বিতর্ক চলে। ছাত্রীরা ছিলেন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার পক্ষে।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
একুশের সকাল

একুশের সকাল

একুশের সকালে ছাত্রদের মধ্যে ছিল অস্থিরতা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ছিল উত্তেজনা। পুলিশি বাধার আশঙ্কা মাথায় রেখে ছাত্রনেতাদের কয়েকজন ভোরেই উপস্থিত হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। গাজীউল হক, মোহাম্মদ সুলতান, এস এ বারী এটিরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছে চিরকুট

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
ফজলুল হক হলের পুকুর পাড়ের বৈঠক

ফজলুল হক হলের পুকুর পাড়ের বৈঠক

এ কথা সত্য যে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার ব্যাপারে ২০ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) রাতে ফজলুল হক হলের পুকুরপাড়ে ১১ জন ছাত্রনেতার বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভাষা আন্দোলনের গবেষকদের কেউ কেউ অবশ্য বলার চেষ্টা করেন, সে সময় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন; তাই ওই ১১ জনের বৈঠক না হলেও কিছু

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
১৯৫২ সালের২০ ফেব্রুয়ারির সেই সভা

১৯৫২ সালের২০ ফেব্রুয়ারির সেই সভা

১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারি করে পরদিন থেকে ঢাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিলেন। আন্দোলনকারীদের সামনে তখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নটিই এসে দাঁড়াল—১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে কি না। সেদিনই বেলা ৩টায় শুরু হয়েছিল আইন পরিষদের সভা। সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
জারি করা হলো ১৪৪ ধারা

জারি করা হলো ১৪৪ ধারা

৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান সফরের পর উজিরে আজম বা প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি পল্টন ময়দানের বক্তৃতায় রাষ্ট্রভাষা নিয়ে নিজের কোনো মতামত প্রকাশ করেননি। কায়েদে আজম যে মত প্রকাশ করেছিলেন, সেটাই তিনি শুধু বলেছেন। রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে পাকিস্তান গণপরিষদই চূড়ান্ত সিদ্ধ

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
মননে অগ্নিশিখা জ্বালানো অনন্য ৪ ফেব্রুয়ারি

মননে অগ্নিশিখা জ্বালানো অনন্য ৪ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বেশ কয়েকটি সভা তখন হয়েছিল। ১৯৫১ সালের ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন মকসুদ আহমদ। সেই সভায় ভাষা আন্দোলনের তহবিল সংগ্রহের জন্য ৫ এপ্রিল পতাকা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত হয়।

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
ঢিমেতালে আন্দোলন

ঢিমেতালে আন্দোলন

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর হাতে দেওয়া রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের স্মারকলিপিটিতে বলা হয়েছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের একমাত্র মুসলমান যুবকদের নিয়ে গঠিত কর্মপরিষদ মনে করে যে, পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা বাংলা হওয়া উচিত। কোন কোন রাষ্ট্রে একাধিক রাষ্ট্রভাষা গৃহীত আছে, সে দৃষ্টান্তগুলোও

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
কিছু প্রতিবাদী ‘না না’ কার্জন  হলে

কিছু প্রতিবাদী ‘না না’ কার্জন হলে

বাংলা ভাষা সম্পর্কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এবং পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনের মনোভাব ১৯৪৭ সালেই জানা হয়ে গিয়েছিল সবার। দুজনের কেউই রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে গ্রাহ্যের মধ্যেই আনেননি। ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এসে যখন রেসকোর্স ময়দানে বক্তব্য দিলেন, তখন বোঝা গেল, বা

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
জিন্নাহ এলেন ঢাকায়

জিন্নাহ এলেন ঢাকায়

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হয়ে প্রথম যখন পূর্ব বাংলায় আসেন তখনো এখানকার জনগণের চোখে তিনি মহানায়ক। তাই ভাষা প্রশ্নে জিন্নাহর দৃষ্টিভঙ্গি জানার জন্য উদ্‌গ্রীব ছিল পূর্ববঙ্গবাসী।

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
তড়িঘড়ি চুক্তি আটচল্লিশের ১৫ মার্চ

তড়িঘড়ি চুক্তি আটচল্লিশের ১৫ মার্চ

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ যে চুক্তিটি করেছিলেন তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন, তাতে কি কোনো দুরভিসন্ধি লুকিয়ে ছিল? পরবর্তীকালের ঘটনাপ্রবাহ কিন্তু সে ইঙ্গিতই দেয়। কারণ এর কয়েক দিন পরই পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসেছিলেন

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪