ঢাকা: উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে গেলে হৃদ্রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন উচ্চ রক্তচাপ বাড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী। নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ চেক করুন, বয়স ৩০ পার হওয়ার পর থেকেই নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ মেপে দেখা দরকার। সম্ভব হলে বাড়িতে প্রেশার মাপার মেশিন কিনে নিন। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁরা অ্যালকোহল, ধূমপান ও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ব্লাড প্রেশার বাড়ার কারণে শরীরের অন্য কোনো সমস্যা তৈরি হচ্ছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
রক্তচাপে খাদ্যাভ্যাস
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার যেমন—মাংস, মাখন ও ডুবোতেলে ভাজা খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে। এ ছাড়া ডিমের হলুদ অংশ এবং কলিজা, গুরদা, মগজ— এসব খেলে রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। এর জন্য হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই হৃদ্রোগের ঝুঁকি এড়াতে এসব খাবার বাদ দিন।
যেসব খাবার খাবেন:
রসুন: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রসুন অত্যন্ত কার্যকর। নিয়মিত সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে পানি খেলে রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
পেঁয়াজ: জীবাণুনাশক হিসেবে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব কম নয়।
নিম ও তুলসী: নিম ও তুলসীর দুটি করে পাতা বেটে, তার সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে প্রতিদিন খেলে রক্তচাপ কমে ৷ খালি পেটে সপ্তাহখানেক খেলেই এর উপকারিতা বোঝা যাবে।
ডাবের পানি: পটাশিয়াম থাকে বলে রক্তচাপ কমানোতেও নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া খুব উপকারী। তবে কিডনি রোগীরা ডাবের পানি খাবেন না।
লেখক: পুষ্টিবিদ ও ক্লিনিক্যাল কনসালট্যান্ট

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দুই মাসের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেল। রোগটির প্রকোপ ঠেকাতে টিকাদান কর্মসূচি চললেও আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা কমার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এই অবস্থায় হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘স্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা বা মহামারি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত জরুরি...
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ জনের। একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৫০৩ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
একসময়ের ‘হামমুক্ত’ জাপানে পুনরায় এই ভাইরাসের থাবা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এপ্রিলের শেষ নাগাদ ৪৩৬ জন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কেবল একটি সাধারণ প্রাদুর্ভাব নয়, বরং এটি জাপানের গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধক্ষমতার (হার্ড ইমিউনিটি) দুর্বলতাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে