ভারতের লক্ষ্ণৌতে তিনতলা ভবন ধসে আটজন নিহত হয়েছেন। ভবনটিতে কয়েকটি গুদাম ও একটি মোটর ওয়ার্কশপ ছিল। এঘটনায় ২৮ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।
গতকাল শনিবার বিকেলে উত্তর প্রদেশের রাজধানী শহরের ট্রান্সপোর্ট নগর এলাকার ভবনটি ধসে পড়ে বলে কর্মকর্তারা জানান।
রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ভবনের ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আটটি মৃতদেহ উদ্ধা করেছে। তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ চলমান আছে।
জেলা প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ চাপা পড়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তাঁরা।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় চার বছর আগে ভবনটি তৈরি করা হয়েছিল, কিছু নির্মাণকাজ ঘটনার সময়ও চলছিল। শনিবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘটনা যখন ঘটে, তখন হতাহতদের অধিকাংশই নিচের তলায় কাজ করছিলেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির নিচতলায় একটি মোটর ওয়ার্কশপ ও গুদাম ছিল, দ্বিতীয় তলায় চিকিৎসা পণ্যের একটি গুদাম ও তৃতীয় তলায় কাটলারির গুদাম ছিল।
এ ঘটনায় আহত গুদামের কর্মী আকাশ সিং জানান, ভবনটির একটি পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি হচ্ছিল, তাই আমরা নিচে নেমে আসি। তখন ভবনটির একটি পিলারে ফাটল দেখতে পাই। তারপর হঠাৎ করে পুরো ভবনটি আমাদের ওপর ধসে পড়ে।’

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করেছেন। একইসঙ্গে তিনি মুসলিমদের ক্ষেত্রে ‘ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলা’ নীতি গ্রহণ করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিশ–ই–ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাউদ্দিন ওয়াইসি।
১৩ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে যিশুর মতো চরিত্রে ফুটিয়ে তুলে একটি এআই জেনারেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি) ছবি পোস্ট করেছিলেন। একসঙ্গে খ্রিষ্টধর্মীয় সর্বোচ্চ নেতা পোপ লিও চতুর্দশকে নিয়ে ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক মন্তব্য করার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
২৭ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তেহরান ‘খুব মরিয়া হয়ে’ ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর হরমুজ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিকল্পনা সফল হলে ইরানকে তেল রপ্তানির আয় থেকে বঞ্চিত করতে সমর্থ হবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সঙ্গে রয়েছে ভয়াবহ কিছু ঝুঁকি। ইরানের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বব্যাপী আরও বাড়তে পারে তেলের দাম।
৯ ঘণ্টা আগে