ঈদুল আজহায় ‘জংলি’ সিনেমা মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। গত ২৯ মার্চের অ্যানাউন্সমেন্ট পোস্টারে ছিল সেই বার্তা। কিন্তু এবার ঈদে মুক্তির মিছিল থেকে নিজেদের সরিয়ে নিল ‘জংলি’। বিষয়টি আজকের পত্রিকার কাছে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম রাহিম।
কারণ হিসেবে এম রাহিম জানালেন সময়স্বল্পতার কথা। আজকের পত্রিকাকে তিনি বললেন, ‘টানা শুটিং করেছি আমরা। শুটিংয়ের সঙ্গে এর পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও চলেছে। মে মাসে আউটডোরে শুটিংয়ের সময় প্রচণ্ড গরমে ইউনিটের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবু আমরা কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে গেছি। সবশেষ ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে শুটিং বন্ধ রাখতে হয় আমাদের। পুরো একটি সেট ঝড়ে ভেঙে যায়। প্রকৃতির ওপর তো কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। আমার কাছে মনে হচ্ছে দর্শকদের যে সিনেমা আমরা উপহার দিতে চাই, সেই কোয়ালিটি অ্যাচিভ করা সম্ভব হবে না এই ঈদে। তাই আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
‘শান’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে অভিষেক হয়েছিল এম রাহিমের। প্রথম সিনেমা মুক্তির দুই বছর পর দ্বিতীয় সিনেমা নির্মাণে নেমেছিলেন তিনি। মুক্তির জন্য ঈদের মতো বড় উৎসবকেই বেছে নিয়েছিলেন।
‘জংলি’র মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন শবনম বুবলী। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যমতে সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, সোহেল খান, এরফান মৃধা শিবলু প্রমুখ। সিনেমার চারটি গানের সুর ও সংগীত করেছেন প্রিন্স মাহমুদ।

বিজয়ের পারিবারিক ঐতিহ্য মেনে তেলুগু হিন্দু রীতিতে প্রথম বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে। এর পর বিকেলের দিকে রাশমিকার পারিবারিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান।
১০ ঘণ্টা আগে
আজ বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অভিনেত্রী ববিতার হাতে একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রাহমান। এ বছর ববিতাসহ ৯ জন ব্যক্তি ও ব্যান্ড ওয়ারফেজকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
একসময় টিভি নাটকের ভিত ছিল পারিবারিক গল্প। মাঝে নাটক থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল পরিবার। নায়ক-নায়িকাকে কেন্দ্র করেই শেষ হয়ে যেত নাটক। সাম্প্রতিক সময়ে আবার বেড়েছে পারিবারিক গল্পের নির্মাণ। দর্শকও দারুণভাবে গ্রহণ করছে নাটকগুলো। সেই জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে ওটিটিতেও থ্রিলার, মিস্ট্রির মাঝে নির্মাতারা...
১ দিন আগে
দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছিলেন নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলী। নিয়মিত চিকিৎসাও করাচ্ছিলেন। তবে গত বছরের অক্টোবরে তাঁর জীবনের গতিপথটাই বদলে যায়। স্ট্রোক করে ভর্তি হন হাসপাতালে। এখনো অসুস্থ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই নির্মাতা।
১ দিন আগে