বছর ঘুরে আবার এসেছে শীতের মৌসুম। আর শীতের মৌসুম মানে বিয়েরও মৌসুম। পুরো শীতকালে চলে বিয়ের ধুম। এতে নিমন্ত্রণ পাওয়া খুশির বিষয় বটে। তবে সেখানে কি আর খালি হাতে যাওয়া যায়? সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় করে আপনজনের বিয়েতে নান্দনিক উপহার দেওয়ার চেষ্টা থাকে সবার।
যা ভাবতে হবে
বিয়েতে কী উপহার দেবেন, সেটা নির্ভর করে কার বিয়ে, তাঁর কী লাগবে আর আপনার বাজেট কত—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরের ওপর। একটা সময় উপহার হিসেবে বিয়েতে সোনার গয়না, শাড়ি, কাঠের আসবাব, কাঁসার তৈজসপত্র ইত্যাদি দেওয়ার বেশ প্রচলন ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে মানুষের চিন্তাচেতনা ও সৌন্দর্যের ধারণা। এখন মানুষ চিন্তা করে একটি নতুন সংসারের জন্য যেসব উপাদান কমবেশি অপরিহার্য, সেগুলো উপহার হিসেবে দেওয়ার। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বাজেট এবং রুচি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কয়েকজন মিলে উপহার দিতে তেমন ঝামেলায় না পড়লেও বিপত্তি বাধে একা উপহার দেওয়ার সময়। তখন সাধ ও সাধ্যের সমীকরণ মিলিয়ে নিতে সমস্যায় পড়তে হয়। মনের মধ্যে হাজারো সংশয় তৈরি হয়। সব সংশয় দূরে রেখে ওপরের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলুন।
যা উপহার দিতে পারেন
আমাদের পুরোনো রীতি অনুযায়ী পার্স হতে পারে একটি ভালো উপহার। আর শাড়ি সব সময় জনপ্রিয় উপহারগুলোর ভেতর অন্যতম। তবে বাজেট উপহার হিসেবে রয়েছে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকার ডিনার, স্যুপ, গ্লাস, কফি কিংবা চায়ের কাপের সেট অথবা ছুরি-কাঁটাচামচের সেট। বর্তমানে জুসার, গ্রাইন্ডার, টোস্টার, রাইস কুকার, ননস্টিক হাঁড়িপাতিলের সেট, হটপট, ওয়াটার ফিল্টার, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, আয়রন মেশিন, বিছানার চাদর, কুশন কভার, কম্বল, নকশিকাঁথা, পেইন্টিং, হাতের তৈরি ঘরে সাজিয়ে রাখার নানান শৌখিন জিনিস দিতে পারেন উপহার। সিরামিকের মগে বর ও কনের ছবি প্রিন্ট করে দিতে পারেন।
উপহার হিসেবে কনের শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন বরের পাঞ্জাবি। সেই সঙ্গে দিতে পারেন ঘড়ি, শার্ট, স্যুটের কাপড়, পারফিউম, ফটোফ্রেম, ঝাড়বাতি, কার্পেট। দুজনকে একই থিমের নকশা করা ঘড়ি, চাদর বা ব্যাগও কিনে দিতে পারেন। তা ছাড়া বর্তমানে নিত্যনতুন প্লাস্টিকের ফুলের টব কিংবা ফুলদানিও বেশ জনপ্রিয়। আবার ছবি ফ্রেম করেও বাঁধিয়ে দিতে পারেন। বাজেট অনুযায়ী মোবাইল ফোন, ট্যাব, আইপ্যাডসহ অন্যান্য গ্যাজেটও আধুনিক উপহার হিসেবে মানানসই। আয়না, ল্যাম্পশেড, মোমদানি, নানা রকম মোম
আর শোপিসও মন্দ হয় না।
আবার বিয়েতে হাজির হয়ে যেতে পারেন একটি নান্দনিক ফুলের তোড়া হাতে।তবে অনেকে মিলে উপহার দিতে চাইলে বেছে নিতে পারেন এলইডি টেলিভিশন, ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, পানির ফিল্টার, ওয়াশিং মেশিন, আলমারি, শোকেস, বুকশেলফ, গয়না; এমনকি টাকার অঙ্ক মিলে গেলে গাড়িও দিতে পারেন। সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় করে কনেকে দিতে পারেন গয়নার বাক্স, শাড়ি কিংবা গয়না। একটু আধুনিক হলে হানিমুনের টিকিট দিয়ে সারপ্রাইজ দিলে মন্দ হয় না।
বিয়েতে যে উপহারই দেন না কেন, সঙ্গে যদি না থাকে একটি সুন্দর স্মৃতিময় চিরকুট, তবে কি বিয়ের উপহার পরিপূর্ণতা পায়? তাই ছোট চিরকুটে সুন্দর সাবলীল শুভেচ্ছাবাণী হতে পারে উপহারের প্রধান আকর্ষণ।

শাড়ি পরার সময় আয়নার দিকে তাকাতেই যেন বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল। কী আপনি কী হয়ে গেছেন–একথাই ভাবছেন নিশ্চয়ই। মেঘে মেঘে বেলা তো কম হয়নি, বয়স পেরিয়েছে ৫০–এর কোঠা। প্রাকৃতিক নিয়মেই শারীরিক গঠনে পরিবর্তন তো আসারই কথা।
৭ ঘণ্টা আগে
এই শহুরে জীবনে বাড়ির সামনে বাগান করার সৌভাগ্য আর কজনের মেলে? শখ-আহ্লাদ যেটুকু মেটানোর যার ফুরসত দেয় এক চিলতে বারান্দা। অবশ্য সুন্দর একটা বারান্দা পাওয়াও সৌভাগ্যের ব্যাপার।
৯ ঘণ্টা আগে
বয়স বৃদ্ধি জীবনের এক চরম সত্য। কিন্তু এই বেড়ে চলা বয়সকে অনেকে মেনে নিতে পারেন না। আগের শক্তি কিংবা কাজের গতি ধীরে ধীরে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। তেমনই আমাদের ত্বকে তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। অনেকে বয়সের এই ছাপ লুকাতে দামি ক্রিম, লোশন বা সেরামের ওপর ভরসা করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী যেসব কিশোর-কিশোরী দিনে দুই ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, এক বছর পর তাদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ এবং সুখের অনুভূতি বা হ্যাপিনেস লেভেল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই নেতিবাচক প্রভাব বেশি দেখা গেছে ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীদের ক্ষেত্রে, যারা মাত্র বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে...
১৩ ঘণ্টা আগে