
এবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও হারল বাংলাদেশ। ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার কাছে হারের পর বিশ্বকাপে আরেকটি বড় বিপর্যয়—কী ব্যাখ্যা হতে পারে এই লজ্জাজনক হারের? কাল ইডেন গার্ডেনসে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন, প্রায় পুরোটাই থাকল এখানে—
প্রশ্ন: এখান থেকে দল কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে?
সাকিব আল হাসান: সত্যি বলতে এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন। তবে আরও তিন ম্যাচ আছে। সুযোগ আছে। চেষ্টা করতে হবে। এটা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই। যদি আজকের (গতকাল) দিনটা ভুলে যেতে পারি, সামনের ম্যাচের জন্য মনোযোগ দিতে পারি। তবে এটা অনেক কঠিন।
প্রশ্ন: আপনাকে নিয়ে অনেক বিতর্ক। আজ বাংলাদেশের অনেক দর্শক উল্লাস করেছেন ম্যাচ বাজেভাবে হারের পর!
সাকিব: হতাশাজনক। তারা আসলে ভালো কিছুরও প্রত্যাশা করে। সেটা না হলে তাদের অধিকার আছে নিজেদের মতো বলার। তাদের নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। যেভাবে আমরা খেলেছি, এটা আমাদের পাওনা।
প্রশ্ন: শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা অসহায় আত্মসমর্পণ কেন?
সাকিব: এই ‘কেন’র উত্তর দিতে পারলে হয়তো আরও ভালো করতাম। উত্তর আমাদের কাছে নেই।
প্রশ্ন: এশিয়া কাপের সময় বলেছিলেন, আগের প্রতিটি বিশ্বকাপে তিনটি করে ম্যাচ জিতেছেন, যেটা আপনার কাছে আহামরি পারফরম্যান্স মনে হয় না। নেদারল্যান্ডসের ম্যাচটা যদি ধরা হয়, এটাই কি বাংলাদেশের স্মরণকালের সবচেয়ে বাজে বিশ্বকাপ?
সাকিব: নির্দ্বিধায় বলতে পারেন। দ্বিমত করব না।
প্রশ্ন: আপনি বলেছিলেন, যখন অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়, এটা আদর্শ পরিস্থিতি ছিল না। আপনাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি কি যথার্থ হয়নি?
সাকিব: আমাদের প্রস্তুতিতে অনেক ঘাটতি ছিল। এই অজুহাত দিয়ে খুব একটা লাভ হবে না।
প্রশ্ন: ২৪ বছরেও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে পারল না। এখন কোথায় পরিবর্তন আনতে হবে?
সাকিব: ভুল মানুষকে প্রশ্ন করেছেন। আমার জায়গা থেকে বললে, চাইলে অনেক কিছু পরিবর্তনের সুযোগ আছে। ২৪ বছরে সেমিফাইনাল খেলতে না পারাটা হতাশাজনক। দেশের মানুষ ক্রিকেট যেভাবে পছন্দ করে, ক্রিকেট নিয়ে তাদের যতটা মনোযোগ, আমাদের আরও ভালো করা উচিত ছিল।
প্রশ্ন: সুপার লিগে তিনে থাকার আত্মবিশ্বাস কি ভুল ছিল?
সাকিব: গত কিছুদিনে আমরা যেভাবে ওয়ানডে খারাপ খেলছি, এতটা খারাপ দল আমরা না। হতে পারে বিশ্বকাপ, পরিবেশ, সবার ওপরে উচ্চ প্রত্যাশা—অনেক কিছুই হতে পারে। এখন কারণগুলো বের করা জরুরি।
প্রশ্ন: বলছিলেন, এখনো সম্ভাবনা শেষ হয়নি। সেই সম্ভাবনা কীভাবে আছে?
সাকিব: এখনো আরও ভালোভাবে অন্তত শেষ করতে পারি। র্যাঙ্কিংয়ে আটে থাকতে হবে যদি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে হয়। এখনো আমাদের তিনটা ম্যাচ আছে। (ভালো খেলার জন্য) ১৫ জনকেই চেষ্টা করতে হবে।
প্রশ্ন: মাহমুদউল্লাহ ছয়ে নেমে সেঞ্চুরি করলেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিনি সাতে নামলেন। কারণ কী?
সাকিব: আমাদের দলে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। বিভিন্ন সময়ে বোলিং, বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং এবং বিভিন্ন বোলারকে ফেস করতে স্বচ্ছন্দবোধ করি না। আমাদের অনেক কিছু মানিয়ে চলতে হয়। এ কারণে ব্যাটিং পজিশনে রদবদল করতে হয়। সবাই নিজ নিজ জায়গায় ভালো করলে এত কথা হতো না। ওপরের দিকে ভালো ব্যাটিং হলে মুশফিক-রিয়াদ ভাইয়ের যে আসল ভূমিকা ছিল, সেটা যথার্থ হতো আমাদের জন্য।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে কি বড় গলদ ছিল?
সাকিব: কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ড্রেসিংরুমের সবাই স্বীকার করে নেবে, আমাদের যে সামর্থ্য, তার কিছুই করতে পারিনি।

টরন্টোতে আজ হয়তো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, দিয়োগো জোতা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতেন। যে রোনালদো এবারই শেষবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন, তাঁর কাছে এবার প্রত্যেকটা জয়ই তো গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাঁর এই ‘লাস্ট ড্যান্সের’ সময় তো থাকতে পারলেন না দিয়োগো জোতা। থাকবেন কী করে! গত বছরই তো তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশ
৩১ মিনিট আগে
ম্যাচের আগেই উড়ে আসে এক খবর। বিশ্বকাপ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কথাটি আর কেউ নন বলেছেন রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো। তবে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২–১ গোলের নাটকীয় জয়ের সেই প্রসঙ্গ নিয়ে কথাই শুনতে চাইলেন পর্তুগিজ তারকা।
১ ঘণ্টা আগে
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নায়ক হওয়ার জন্য গনসালো রামোসের হাতে সময় খুব বেশি ছিল না। একে তো বদলি হিসেবে নেমেছেন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ৮১ মিনিটে তুলে নেওয়ার পর ম্যাচ তখন ১-১ সমতায়। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আভাস মিলছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লেয়াওয়ের দারুণ এক চিপ থেকে অসাধারণ গ্ল্যান্স
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—বিশ্বকাপের মঞ্চে বিদায়টা কার হবে? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নাকি লুকা মদরিচ? ফুটবলের দুই কিংবদন্তির একজনের বিশ্বকাপ অধ্যায়ের ইতি টানার সম্ভাবনা ছিল টরন্টোর শেষ ষোলোর এই ম্যাচেই।
২ ঘণ্টা আগে