
ম্যাচের আগেই উড়ে আসে এক খবর। বিশ্বকাপ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কথাটি আর কেউ নন বলেছেন রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো। তবে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২–১ গোলের নাটকীয় জয়ের সেই প্রসঙ্গ নিয়ে কথাই শুনতে চাইলেন পর্তুগিজ তারকা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার রোনালদো গোল পেয়েছেন নকআউটে। পিছিয়ে পড়ার পর পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। টরন্টোয় জয়সূচক গোলটি আসে গনসালো রামোসের মাথা থেকে। রোলার কোস্টার রাইডের মতো ম্যাচটি ক্লান্তি নামিয়ে এনেছে রোনালদোর শরীরে। যখন অবসর প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলো তখন তিনি জানালেন, হুটহাট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।
ম্যাচ শেষে রোনালদো বলেন, ‘ক্রিস্টিয়ানোর ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব। উত্তেজনার মাথায় আমি আর কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। এখন বিশ্রাম নেওয়ার এবং পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময়।’
শেষ ষোলো দারুণ ফর্মে থাকা স্পেনের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। তবে এর আগে ক্রোয়েশিয়া ভালোই পরীক্ষায় ফেলেছে তাদের। রোনালদো বলেন, ‘ম্যাচটি কিছুটা অদ্ভুত ছিল; আমরা প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করেছিলাম, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ততটা পারিনি। ওরা গোল করার পর আমরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। এটি একটি পাগলাটে ম্যাচ ছিল, তবে এটাই বিশ্বকাপ। এখানে এমনটাই হওয়ার কথা, কেউ সহজে ম্যাচ জিতবে না। প্রতিটি ম্যাচেই এমনটা হবে—ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোতে হবে, আমরা কী ভুল করেছি তা মূল্যায়ন করতে হবে এবং সেগুলোর পুনরাবৃত্তি এড়াতে হবে।’
এবারের নকআউট পর্বে হাতেগোণা কয়েকটা ম্যাচ বাদ দিলে বেশির ভাগ ম্যাচেরই ফল এসেছে শেষ মুহূর্তে। রোনালদোর মতে এখন এ ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যেতে হবে দলগুলোকে। পর্তুগাল ফরোয়ার্ড বলেন, ‘আমাদের এমন কিছু মুহূর্ত ছিল যেখানে কষ্ট করতে হয়েছে, এটা খেলারই অংশ। এই প্রতিযোগিতা জিততে হলে আপনাকে এই ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতেই হবে।’

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দেখা যাচ্ছে অন্য রকম এক রোমাঞ্চ। হাতেগোণা কয়েকটা ম্যাচ বাদ দিলে বেশির ভাগ ম্যাচের নিষ্পত্তি হচ্ছে শেষ মুহূর্তে এসে। টরন্টোতে আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের অবস্থাও সেরকম। শেষ হাসি হেসেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-গনসালো রামোসদের পর্তুগাল।
১৭ মিনিট আগে
টরন্টোতে আজ হয়তো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, দিয়োগো জোতা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতেন। যে রোনালদো এবারই শেষবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন, তাঁর কাছে এবার প্রতিটি জয়ই তো গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাঁর এই ‘লাস্ট ড্যান্সের’ সময় তো থাকতে পারলেন না দিয়োগো জোতা। থাকবেন কী করে! গত বছরই তো তিনি চলে গেছেন না ফেরার...
১ ঘণ্টা আগে
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নায়ক হওয়ার জন্য গনসালো রামোসের হাতে সময় খুব বেশি ছিল না। একে তো বদলি হিসেবে নেমেছেন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ৮১ মিনিটে তুলে নেওয়ার পর ম্যাচ তখন ১-১ সমতায়। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আভাস মিলছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লেয়াওয়ের দারুণ এক চিপ থেকে অসাধারণ গ্ল্যান্স
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—বিশ্বকাপের মঞ্চে বিদায়টা কার হবে? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নাকি লুকা মদরিচ? ফুটবলের দুই কিংবদন্তির একজনের বিশ্বকাপ অধ্যায়ের ইতি টানার সম্ভাবনা ছিল টরন্টোর শেষ ষোলোর এই ম্যাচেই।
৩ ঘণ্টা আগে