ফুকুশিমা পারমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় পানি সাগরে ফেলা শুরু করেছে জাপান। স্থানীয় জেলে, পরিবেশবাদী এবং প্রতিবেশী দেশ চীনের বিরোধিতা সত্ত্বেও টানেলের মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরে পানি ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করল দেশটি। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিগুলো ঠান্ডা করার জন্য যে পানি ব্যবহার করা হতো তা এত দিন কয়েক হাজার ড্রামে সংরক্ষিত ছিল।
ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থা টোকিও পাওয়ার কোম্পানি-টেপকোর মতে, ড্রামে তেজস্ক্রিয় পানি সংরক্ষণ সক্ষমতা আর না থাকায় জাপান এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজার লিটার পানি (২৬ হাজার ৫০০ গ্যালন) ব্যবহৃত হয়। ফলে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন পানি কয়েক হাজার ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
জাপান জানিয়েছে, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লাখ লিটার পানি ছাড়া হবে। এই হারে জমা থাকা সব পানি ছাড়তে প্রায় ৩০ বছর সময় লাগতে পারে।
প্রায় এক দশক আগে ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে ধ্বংস হয় জাপানের ফুকুশিমা দাই-ইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ২০১১ সালের পারমাণবিক বিপর্যয়ের প্রায় প্ল্যান্টের বিশাল জলাধারে একে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) জানিয়েছিল, এই পানি রাখার জায়গা ফুরিয়ে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই সেনা প্রত্যাহারকে একটি ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর যেকোনো মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে—এমন গুঞ্জনের মধ্যে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আক্রান্ত হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে।
৯ মিনিট আগে
মার্কিন হামলার আশঙ্কায় তেহরানে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের অনতিবিলম্বে ইরান ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সার্বিয়া ও সুইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই জরুরি সতর্কতা জারি করল দেশ দুটি।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে দানশীলতা বা পরোপকারের গল্প সাধারণত ওপরের তলা থেকে শুরু হয়। যেখানে থাকে করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বাজেট, ধনকুবেরদের প্রতিশ্রুতি কিংবা বড় বড় সব ফাউন্ডেশন। কিন্তু অশোক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ফিলানথ্রপির (সিএসআইপি) ‘হাউ ইন্ডিয়া গিভস-২০২৫’ প্রতিবেদন...
২ ঘণ্টা আগে
ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সব পথ চিরতরে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে দেশটিকে সীমিত পরিসরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তেহরান যদি ওয়াশিংটনের শর্ত না মানে, তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তাঁর ছেলে মোজতাবা খামেনিসহ...
৩ ঘণ্টা আগে