
ঢাকা-১৭ আসনে উপনির্বাচনে হিরো আলমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনে একজন প্রার্থী হিরো আলমের ওপর জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে যেভাবে আক্রমণ করা হলো, তাতে প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো মতাবলম্বীরা রাষ্ট্রে নিরাপদ থাকতে পারবে না। আগামী সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রতি কী আচরণ হবে তারও পূর্বাভাস বা প্রতিফলন ঘটেছে এ ঘটনায়। জনগণের ওপর হামলা বা নির্যাতন করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বন্ধ করা যায়—এ ধরনের চিন্তা সরকারের নৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় প্রকাশ করে। অবিলম্বে হিরো আলমের ওপর হামলাকারীসহ নির্দেশদাতাদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনতে হবে।
এর আগে আজ সোমবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকার বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হিরো আলমের ওপর এ হামলা হয়। হিরো আলমের ওপর হামলাকারীরা নৌকা প্রতীকের ব্যাজ পরে ছিলেন।
হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের গুলশান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক দুজনের একজনের নাম শেখ শহীদুল্লাহ বিপ্লব ও অপরজন সানোয়ার গাজী।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মো. দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
১৬ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধের বাতিল করা অধ্যাদেশটি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের হাতে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। ওই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক। তাঁদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন...
২ দিন আগে