জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এই নীতি অনুযায়ী, ভোটের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কোনো বাংলাদেশিকে ভিসা দেবে না দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বাংলাদেশের বিষয়ে নতুন এই ভিসা নীতি ঘোষণা করেছেন। নতুন ভিসা নীতি নিয়ে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়েছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, যা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রশ্ন: এসব ভিসা বিধিনিষেধ কার বা কাদের জন্য প্রযোজ্য হবে?
উত্তর: এই নীতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্য অনেকের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান বা সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, সরকারের সমর্থক এবং বিরোধীদলীয় সদস্যরা এর অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের ব্যক্তিদের নিকটতম পরিবারের সদস্যরাও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
প্রশ্ন: এই নীতিমালার আওতায় এখন কোনো ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে?
উত্তর: না, সেক্রেটারি অব স্টেট যেমনটা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারকে আমরা স্বাগত জানাই।
প্রশ্ন: এই ভিসা বিধিনিষেধ কি সরকার বা আওয়ামী লীগকে নির্দেশ করছে?
উত্তর: না, যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে না। বিধিনিষেধগুলো দলনির্বিশেষে সেই সব ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে, যারা গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এমন আচরণে বা কর্মকাণ্ডে জড়িত ।
প্রশ্ন: কারো ভিসা প্রত্যাহার করা হলে, তাদের জানানো হবে কি?
উত্তর: যাদের ভিসা প্রত্যাহার বা বাতিল করা হয়, তাদের অবহিত করা সাধারণ রীতি ।
প্রশ্ন: ঊর্ধ্বতনের হুকুমে যারা অনিয়ম করবে, তাদের জন্য ভিসা বিধিনিষেধ কীভাবে প্রযোজ্য হবে? এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আদেশ পালনকারীদের ‘সম্পৃক্ততা’ প্রমাণ কঠিন হলে কী হবে?
উত্তর: বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য।
প্রশ্ন: নতুন নীতি কি রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তা হ্রাস করার বাংলাদেশ সরকারের ১৪ মের সিদ্ধান্তের প্রতিশোধ?
উত্তর: বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমাদের নিবিড় সহযোগিতার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গত ৩ মে এই নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাদের অবহিত করেছি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কেন এত চিন্তিত?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র সর্বত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করার অঙ্গীকার করেছে। সেই প্রচেষ্টাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে সাহায্য করার জন্য এই নীতি প্রণীত হয়েছে, যাতে জনগণ তাঁদের নেতা বেছে নেওয়ার জন্য ভোট দিতে পারে।
আরও পড়ুন:

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ, আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী ভাড়ায় যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস চালু করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)। এ উপলক্ষে বিআরটিসি বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে।
৪ মিনিট আগে
অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে ঢাকা ওয়াসার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তাঁর স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
২০ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও সহায়তা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনে এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এক আসামির জামিন করাতে এক কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ওঠায় সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে