টুইটারের ব্লুচেক সাবস্ক্রিপশন শিগগিরই পুনরায় চালু হচ্ছে না। ইলন মাস্ক স্থানীয় সময় সোমবার এক টুইটে জানান, ‘আমরা ব্লুচেক সাবস্ক্রিপশন ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা আপাতত পেছাচ্ছি। আমরা যত দিন না পর্যন্ত ভুয়া অ্যাকাউন্ট রোধ করতে পারব বলে নিশ্চিত হব, তত দিন পর্যন্ত এই সেবা বন্ধ থাকবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
টুইটে ইলন মাস্ক আরও বলেন, ‘আমরা সংস্থাগুলোর জন্য ভিন্ন রঙের চেক মার্ক করতে পারি।’
আরেকটি টুইটে ইলন মাস্ক জানান, গত সপ্তাহে ১ কোটি ৬০ লাখ সক্রিয় দৈনিক ব্যবহারকারী বেড়েছে টুইটারে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।
আগে ব্লুটিক শুধু বিভিন্ন সংস্থা, রাজনীতিবিদ, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তি পেতে পারতেন। তবে নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবার ফলে যে কেউ মাসিক কিছু ডলার গুনেই তাঁর টুইটার প্রোফাইলে পাবেন ‘ব্লুটিক’। ইলন মাস্ক জানিয়েছিলেন, টুইটারের আয় বাড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় সময় ১১ নভেম্বর টুইটার তাদের ব্লুটিক সাবস্ক্রিপশন সেবা স্থগিত করে। ব্লুটিক সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করার ফলে ভুয়া অ্যাকাউন্ট বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয় টুইটার। এর একদিন পরেই ব্লুটিক সাবস্ক্রিপশন চলতি মাসের ২৯ তারিখ আবার চালু করার ঘোষণা দেন ইলন মাস্ক।

আসছে এপ্রিল মাস থেকে ব্রাউজারে ব্যবহার করতে পারবেন না মেসেঞ্জার। থাকবে না টপের অ্যাপ্লিকেশনটিও। ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটিসে এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই সমস্যার কারণে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব
১ দিন আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ বুধবার এক বিবৃতিতে ৪৪ লাখ ফলোয়ারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানানো হয়।
১ দিন আগে
বছর পাঁচেক আগে করোনার সংক্রমণে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল, পুরো মানবসভ্যতা বিলীন হতে বসেছিল। আর তার ১০০ বছর আগে স্প্যানিশ ফ্লুর বিষাদময় বৈশ্বিক মহামারির ইতিহাসও আমাদের জানা আছে। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সাল—এই দুই বছরে ২০০ কোটির কম মানুষের এই পৃথিবীর ৩ থেকে ৫ কোটি মানবসন্তানের জীবনহানি ঘটিয়েছিল সেই ভয়ংকর ভাইরাস।
২ দিন আগে