ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে ইতিমধ্যে ইতিহাস তৈরি করেছেন ঋষি সুনাক। নানা ধাপ পেরিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত টিকে আছেন ঋষি। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে সমর্থকদের জন্য নতুন প্রচারে নেমেছেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ‘#রেডিফরঋষি’ প্রচারাভিযান নামেন তিনি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, টুইটারে ঋষি সুনাক নিজের সব সহকর্মী ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি লেখেন, ‘ভোট বন্ধ হলো। আমার সমস্ত সহকর্মী, প্রচারণা টিম এবং যাঁরা আমার সঙ্গে দেখা করে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। সোমবার দেখা হবে!’
পরে জানা গেছে, সোমবারই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা। কে হচ্ছেন কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান তথা নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, তা জানা যাবে এদিন। তাই সমর্থকদের উজ্জীবিত করতে নতুন প্রচারাভিযান করছেন ঋষি সুনাক।
যদিও শেষ মুহূর্তে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে পররাষ্ট্রসচিব লিজ ট্রাস। শুরুর দিকে ইতিহাস তৈরির যথেষ্ট সম্ভাবনা তৈরি করেও পিছিয়ে পড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি। দলের প্রায় ২ লাখ টোরি ভোটারের অধিকাংশই ট্রাসের সমর্থক।
শনিবার ভোট শেষ হওয়ার পর কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য, এমনকি দেশটির গণমাধ্যমের সিংহভাগই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, সোমবার ফলাফল ঘোষণার পর লিজ ট্রাসই বিজয়ী প্রার্থী হবেন। তবে জনমত জরিপে ট্রাস এগিয়ে থাকলেও আশা ছাড়ছেন না ঋষি।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
২ ঘণ্টা আগে