একই সারিতে দেখা যাচ্ছে সৌরজগতের বড় পাঁচটি গ্রহকে। পরিষ্কার আকাশে আগামী কয়েক দিন সূর্যোদয়ের আগে বুধ, শুক্র, মঙ্গল বৃহস্পতি ও শনি গ্রহ খালি চোখেই এক সারিতে দেখা যাবে। আগামী সোমবার পর্যন্ত বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চল থেকেই গ্রহ পাঁচটি একই সারিতে দেখা যাবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের সোসাইটি ফর পপুলার অ্যাস্ট্রোনমির অধ্যাপক লুইস গ্রিন জানিয়েছেন, এটি বুধ গ্রহকে খালি চোখে দেখতে পারার এক বিশেষ সুযোগ। সাধারণত গ্রহটি সূর্যের উজ্জ্বল আলোর কারণে খালি চোখে দেখা যায় না।
প্রায় ১৮ বছর আগে ২০০৪ সালে সর্বশেষ এই পাঁচটি গ্রহকে একই সারিতে দেখা গিয়েছিল। এরপর আবার দেখা যাবে আরও ১৮ বছর পর, ২০৪০ সালে।
লুইস গ্রিন বলেছেন, ‘এই গ্রহগুলো দিগ্বলয়ের কাছে মুক্তোর মালার মতো দেখা যাবে।’ এই গ্রহগুলো একই সারিতে দেখতে পাওয়ার ঘটনা বিশেষ আরও একটি কারণে। এই পাঁচ গ্রহকে সৌরজগতে কেন্দ্র সূর্য থেকে তাদের অবস্থানের ভিত্তিতে দেখতে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ সবার আগে বুধ, তারপর শুক্র, এরপর ক্রমানুসারে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি গ্রহকে দেখা যাবে।
অধ্যাপক লুইস গ্রিন আরও বলেছেন, ‘গ্রহগুলোর এমন রৈখিক অবস্থান একটি বিরল ঘটনা। সৌরজগতে আমাদের পৃথিবীর অবস্থানের কারণেই এমনটা দেখতে পাওয়া বিরল। তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার সকালে গ্রহগুলোর সারিতে চাঁদকেও দেখা গেছে।’

সৌরজগৎকে সাধারণত মানব সভ্যতার অন্যতম স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো হিসেবে দেখা হয়। পৃথিবীতে যাই ঘটুক না কেন, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিক্রমা করে চলেছে এবং আকাশে একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগতের অতীত হয়তো এতটা শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল না।
৩ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) রুশ অংশে নতুন করে এয়ার (বাতাস) লিক বা ছিদ্র শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাঁচ মহাকাশচারীকে একটি মহাকাশযানে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা...
৫ দিন আগে
প্রায় ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে মারা যাওয়া বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত মানব মমি ওৎজি দ্য আইসম্যানের দেহে আজও কিছু অণুজীব সক্রিয় থাকতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, তাঁর শরীরে পাওয়া কিছু জীবাণু সম্ভবত মমিটির মতোই প্রাচীন। আবার কিছু জীবাণু বর্তমান সংরক্ষণাগারের
৭ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আকাশে গত শনিবার একটি উল্কা বিস্ফোরিত হয়। এর ফলে সৃষ্ট বিকট শব্দ পুরো অঞ্চলে প্রতিধ্বনিত হয়। বিস্ফোরণটির শক্তি ছিল প্রায় ৩০০ টন টিএনটির সমতুল্য। এই বিস্ফোরণের ফলে, ঘটনাস্থলের নিচে থাকা বাড়িঘর ব্যাপকভাবে কেঁপে উঠে। বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
৮ দিন আগে