
নরসিংদীতে আধুনিক পোশাক পরার কারণে এক তরুণীর ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে অনেককেই উত্তেজিত হতে দেখলাম। ফেসবুকে কারও কারও মন্তব্য পড়ে মনে হলো, অকস্মাৎ যেন এ রকম অশ্লীলতার দেখা পেলেন তাঁরা। প্রকাশিত ঘটনার পর মুখর হয়ে উঠল চারদিক, নারীর পোশাকের বিরুদ্ধে এ ধরনের উগ্রতা রুখে দেওয়ার শপথ নিল কেউ কেউ। সমাজের নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের নানা ধরনের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে বোঝা গেল, এই সর্বনাশের গোড়া যে নরসিংদীতে নয়, সারা দেশেই মাটির গভীরে চলে গেছে, সে কথাটা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় কেউ স্বীকার করতে চাইছেন না। আমি নিশ্চিত, ফেসবুকীয় উচ্ছ্বসিত আবেগে ভর করে একটা জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস দিয়েই এই বিদ্রোহীকুল গভীর নিদ্রায় চলে যাবেন। নতুন ইস্যু এলেই আবার একটা চোখা স্ট্যাটাস লেখার দিকে মন দেবেন। কিন্তু তলিয়ে দেখবেন না, কেন এ রকম ঘটনা ঘটে যাচ্ছে অবিরত।
অনেকের নিশ্চয়ই মনে পড়ে যাবে, কিছুদিন আগে আরেক তরুণীকে বাসে হেনস্তা করেছিলেন আরেক নারী। নরসিংদীর তরুণীটির মতোই পোশাকের কারণে তাঁকে গালাগাল করছিলেন আরেক নারী। মৃদু প্রতিবাদ কেউ করেছিল কি না, তা ভিডিও দেখে বোঝা যায়নি। কিন্তু তরুণীটি যে সন্ত্রস্ত হয়ে এই গালাগাল হজম করতে বাধ্য হচ্ছেন, সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।
নারীর পোশাক নিয়ে কটু-কাটব্য করার আভিজাত্য বাঙালি পুরুষের বহুদিন আগের অর্জন। পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবকে সঙ্গী করে নারীরাও নারীকে একই কারণে গালাগাল করে যাচ্ছেন। কেন করে যাচ্ছেন, তার কারণগুলো একটু খতিয়ে দেখা চাই, নইলে সব সচেতনতাই পড়ে থাকবে ফেসবুকের স্ট্যাটাসে আর এনজিও-মার্কা বুলিতে।
দুই.
এখন মনে হয়, যে অসাধারণ মহাকাব্যটি রচিত হয়েছিল ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত, সেই মহাকাব্যটি দেশের বেশির ভাগ মানুষই পড়তে পারেননি। কিংবা তাঁদের পড়তে দেওয়া হয়নি। আগুয়ান ছিলেন যাঁরা, তাঁরা পথ কেটে কেটে মুক্তির কাছাকাছি নিয়ে গেছেন ঠিকই, কিন্তু যাঁদের নিয়ে শুরু করা হলো স্বাধীন পথচলা, তাঁদের অনেকেরই স্বাধীনভাবে বসবাসের প্রস্তুতি ছিল না। তাঁরা শুরুতেই হোঁচট খেলেন।
স্বাধিকার আন্দোলনের চালিকা শক্তি ছিল ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি বিশ্বস্ততা। নিজ সংস্কৃতির ভিত্তিমূলে দাঁড়িয়ে আত্মপরিচয় খোঁজার সেই চেষ্টায় জন্ম নিয়েছিল অসাম্প্রদায়িকতা।
আমরা আন্দোলন করেছি, আমরা রাজনীতি ও সংস্কৃতির মিলন ঘটিয়ে এগিয়ে গেছি, কিন্তু আমাদের সেই পথচলায় সবাইকে গভীরভাবে পেলাম কি না, সে হিসাব রাখিনি। আমাদের এই শক্তিশালী আন্দোলনটিতে জ্বালানি সরবরাহ করেছে গরিব মানুষ, গ্রামের মানুষ, কিন্তু যে ভাষায় আমাদের নেতারা কথা বলেছেন, সে ভাষার সবটা বোঝেনি দেশের আপামর জনগণ। কেন ভাষাভিত্তিক একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের বড় প্রয়োজন, সেটা বোঝার চেয়ে মানুষ বেশি করে একাত্ম বোধ করেছে পাকিস্তানি অপশাসন ও শোষণের নিগড় ভেঙে বেরিয়ে আসার আহ্বানের সঙ্গে। শোষণমুক্তির প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি যদি তারা উপলব্ধি করত, এই অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রটিতে মেধা ও মনন খাটিয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা দরকার, তাহলে হয়তো আজ দেশজুড়ে এ রকম এক অস্বাভাবিক মনস্তত্ত্বের নাগরিকেরা এভাবে অ্যামিবার মতো বেড়ে উঠত না।
তিন.
আমাদের আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ব ছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণির হাতে। সেটাই সাধারণত হয়। পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন আন্দোলনের বেশির ভাগেরই নেতৃত্ব দিয়েছে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়। কিন্তু আন্দোলনের সময় বিভিন্ন শ্রেণি থেকে প্রতিনিধি যুক্ত না হলে, সেই আন্দোলন হয়ে পড়ে এককেন্দ্রিক। তখন মধ্যবিত্তের দৃষ্টিকোণ থেকে অন্যান্য শ্রেণিকে দেখা হয় এবং তখনই ঘটে যায় সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি। অন্যের সমস্যা তার কাছ থেকে না শুনে নিজেই সমস্যা ও সমাধানের মধ্যমণি হয়ে যাওয়ার খায়েশ জাগে। আর তাতে অন্যরা আরও দূরে সরে যায়।
খোলাসা করি। ‘অসাম্প্রদায়িকতা’ শব্দটিকে আমরা সাধারণ মানুষের মনে প্রথিত করতে পারিনি কেন? ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে ‘নাস্তিকতা’ দাঁড়িয়ে গেল কেন? আমরা সে কথা ভেবে দেখিনি। স্পষ্টভাবে নেতৃস্থানীয় মানুষের কাছ থেকে এ ব্যাপারে বিশদ ব্যাখ্যা হয়তো শোনা গেছে, কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সেই গভীরতা কিংবা সেই আন্তরিকতা ছিল না, যে সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে বলবে, অসাম্প্রদায়িকতা মানে হলো, অন্যের ধর্মকে হেয় কোরো না, তুমি তোমার ধর্ম পালন করো, সেটা তোমার ব্যক্তিগত অধিকার, কিন্তু মনে রেখো, রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম নেই। রাষ্ট্রে যে কোনো ধর্মের নাগরিকেরই সমান অধিকার।
তারা জনগণকে বোঝায়নি, গণতন্ত্র মানে হলো, তুমি তোমার মত অনুযায়ী দেশ চালানোর জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। যে দলের যে ব্যক্তিই জয়ী হোক না কেন, বিজয়ী হিসেবে তাকে সুষ্ঠুভাবে কাজ করার পরিসর গড়ে দেবে। তোমার যদি মনে হয়, তুমি নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য, তাহলে তুমি নিজেও যুক্ত হবে রাজনীতির এই প্রক্রিয়ায়।
তারা জনগণকে বোঝায়নি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যেই বেড়ে ওঠে সমাজ। বৈচিত্র্য না থাকলে স্থবির হয়ে পড়ে তা। ধর্মীয় ও সর্বজনীন উৎসবগুলো সব ধর্মের মানুষই রাঙিয়ে দিতে পারে। আগে যে ভেদাভেদ ছিল, তা কাটিয়ে সবাই এক হয়ে যাবে, এটাই তো আধুনিক যুগের ধর্ম।তারা জনগণকে বোঝায়নি, নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে চলে দেশ। নারীকে তাঁর যোগ্য জায়গাটি ছেড়ে দিতে হয়।
জনগণকে না বোঝানোর তালিকাটা এত বড় যে সেটার জন্য আলাদাভাবে একটা লেখাই তৈরি করতে হবে। আমরা বুড়ি ছুঁয়ে নরসিংদীতে যেতে যেতে শুধু বলে রাখি, ‘তোমাকে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে।’
চার.
গোকুলটা কোথায়? গোকুল এখন গোটা বাংলাদেশ। কারণ, সারা বাংলাদেশেই আমরা ধর্মের নামে ধর্মব্যবসাকে উৎসাহিত করেছি। বিরুদ্ধ মতের টুঁটি চেপে ধরেছি। গ্রামসমাজকে আলোকিত না করে পশ্চাৎপদ করে রেখেছি। সেখানে আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে কেউ এগিয়ে আসবে—এ রকম আশা করা কঠিন।
গ্রামের মানুষ আগে কী নিয়ে থাকত? কেউ যদি বলে, কোনো একসময় মাছে-ভাতে ঋদ্ধ কৃষকে ভরা ছিল এই বাংলা, তাহলে সে মিথ্যে বলে। বাংলার কৃষক সব সময়ই দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বেঁচে ছিলেন। কিন্তু তাঁর সাংস্কৃতিক জীবনটা ঋদ্ধ ছিল। তিনি তখন দিনের ক্লান্তির পরও রাত জেগে যাত্রা দেখতেন, পরের রাতেই যেতেন ওয়াজ শুনতে, পরদিন বিকেলে বাজার বা হাটে গোল হয়ে বসা মানুষের মাঝে নিজেকে আবিষ্কার করতেন জারি, সারি, ভাটিয়ালি গানের শ্রোতা হিসেবে। গ্রামের শিক্ষকের কাছ থেকে নিতেন জীবনের পাঠ। মুসলমান হলে নামাজ পড়তেন, হিন্দু হলে পূজা করতেন, বৌদ্ধ হলে প্রার্থনা করতেন। কেউ কারও ধর্মীয় জীবনে নাক গলাতেন না। খুবই রক্ষণশীল ধর্মভীরু মানুষের প্রিয় বন্ধু হতে পারতেন অন্য ধর্মের মানুষ।
তবে নারীর ক্ষেত্রে রক্ষণশীলতা সে সময়েও ছিল। শুধু আমাদের দেশে কেন, যেসব দেশ এখন নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার, ২০০ বছর আগেও সেসব দেশে নারীর অবস্থান ছিল পুরুষের চেয়ে অনেক নিচে। ধর্মীয় ও অন্যান্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে উঠেছে, স্বভাবতই সেসব প্রতিষ্ঠানে নারীকে পুরুষের শাসনে রাখার পাঁয়তারা করা হয়েছে। পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই সেগুলো পরিচালিত হয়। আর সর্বনাশের দিকটি হলো, পারিবারিকভাবেও সেই ভ্রষ্ট শিক্ষা গ্রাস করে নেয় সবাইকে। ফলে পরিবারের নারী-পুরুষ সবাই হয়ে পড়ে উগ্রতার বলি।
আমাদের দেশে সামাজিক সংস্কৃতি নষ্ট হয়েছে, নারীর মর্যাদা আটকে রয়েছে পুরুষতান্ত্রিকতার মাঝে, দিন দিন ধর্মব্যবসায়ীদের মিথ্যা বয়ানের কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে। নারীকে নিয়ে, নারীর শরীর নিয়ে যেসব বিকৃত বয়ান চলছে, তাতে প্রভাবিত হচ্ছে গোটা সমাজ। আধুনিক পোশাক পরার কারণে নারীর ওপর আক্রমণের যে দুটি ঘটনার কথা বলা হলো, তার ক্ষেত্র তো প্রস্তুত হয়েছে আরও অনেক আগে, সে কথা কেন বুঝতে পারছি না আমরা?
পাঁচ.
এবার হিসাব মেলানো সহজ হবে। যে গ্রামসমাজে একসময় চিরায়ত সংস্কৃতি বিরাজ করত, সেই সমাজ এখন খণ্ডিত হয়ে গেছে। ব্যক্তিপর্যায়ের ধর্মচর্চা অন্যের ওপর আরোপ করার প্রবণতা বেড়েছে। পরকালের বিচারের ভার ঈশ্বরের ওপর না রেখে নিজের হাতে তুলে নিচ্ছেন ধর্মব্যবসায়ীরা। সংস্কৃতির যে উপাদানগুলোয় মানুষের জয়ের কথা বলা হতো, সেগুলো বিদায় নিয়েছে গ্রাম এবং নগরসমাজ থেকে। নাটক, চলচ্চিত্র, সংগীত, নৃত্যসহ সাংস্কৃতিক জীবনের প্রতি আকর্ষণ কমে গেছে, বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে একচ্ছত্র আসন লাভ করেছে ওয়াজ মাহফিল। সেই মাহফিলে সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে যে কথা বলা হয়, তাতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প যেমন থাকে, তেমনি থাকে নারীর প্রতি অবমাননা। মানবিকতা পরাজিত হয়ে যখন গোটা সমাজই গিলছে বিকৃত বয়ান, তখন সেখানে নারী-মুক্তি-বিদ্বেষী মানুষ গজিয়ে না উঠে সবাই এক একজন বেগম রোকেয়া হয়ে উঠবে, এ ভাবনা অযৌক্তিক।
সরকার এসব বিষয় নিয়ে কী ভাবে, সেটাও বিবেচনার আরেকটি দিক। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ধর্মান্ধ মানুষকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বশে রাখার চেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। ওরা তো সুবিধা পেয়ে সাময়িকভাবে নত হবে, কিন্তু প্রথম সুযোগেই ছোবল দিতে দ্বিধা করবে না। এ কথা বোঝা কি এতই কঠিন?
আর একটি কথা বলেই শেষ করব। জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক একবার বলেছিলেন, কোনো দেশের মানসিকতা বুঝতে হলে সেই দেশের কাঁচাবাজার আর বইয়ের বাজারটা দেখে আসা দরকার। একবার তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গিয়ে বইয়ের দোকানে দেখেছিলেন ৩০ শতাংশ ইসলামি বই, ৩০ শতাংশ কমিউনিজমের বই। তিনি বলেছিলেন, এই দেশে রাজনীতিক দ্বিধাবিভক্তি অনেক দিন থাকবে।
আমাদের দেশে একদিকে পশ্চিমা পোশাক, অন্যদিকে বোরকা-হিজাব সমহারে বাড়ছে। আবদুর রাজ্জাকের কথা স্মরণ করেই বলতে হয়, সময়মতো সজাগ না হলে দ্বিধাবিভক্তি আমাদের দেশেও অনেক দিন টিকে থাকবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরুষতান্ত্রিক মগজটা নারী-মস্তিষ্কে চালান হয়ে গেছে, তাই এই কূমপণ্ডূকতা থেকে রক্ষা পাওয়ার লড়াইটা খুব সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না।
লেখক: উপসম্পাদক, আজকের পত্রিকা

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫