মালয়েশিয়ায় অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পে দাঙ্গার ঘটনায় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ছয় রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে এই দাঙ্গার ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর পেনাংয়ের সুঙ্গাই বাকাপ অস্থায়ী অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পে দাঙ্গার ঘটনার পর শত শত রোহিঙ্গা পালাতে শুরু করে। পথে গাড়ির ধাক্কায় ওই ছয়জন নিহত হয়।
এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে ৫৮২ জন রোহিঙ্গা পালিয়েছে। এদের মধ্যে ৩৬২ জনকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্যাম্পটিতে ৬৬৪ জন রোহিঙ্গা ছিল।
মালয়েশিয়ায় পালিয়ে আসা বিদেশিদের শরণার্থীর মর্যাদা দেয় না। মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য মিয়ানমার ও বাংলাদেশে শরণার্থীশিবিরগুলো একটি পছন্দের গন্তব্য।
২০২০ সাল থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রেখেছে মালয়েশিয়া সরকার।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবারের দাঙ্গার ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের পুলিশপ্রধান ওয়ান হাসান ওয়ান আহমেদ বলেন, ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে প্রায় 8 কিলোমিটার দূরে একটি মহাসড়ক অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় যানবাহনের ধাক্কায় ছয়জন নিহত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের লক্ষ্যবস্তু থেকে বাদ যায়নি জরুরি সেবা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। সরকারি তথ্যমতে এখন পর্যন্ত ৪৩টি জরুরি সেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৩২টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস হয়েছে এবং ১২০টি স্কুলে সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে শিপিং করপোরেশন অব ইন্ডিয়ার (এসসিআই) দুটি বড় এলপিজি ট্যাংকার আজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শিভালিক এবং নন্দা দেবী নামের ভারতীয় পতাকাবাহী এই জাহাজ দুটি এখন ভারতের গুজরাট উপকূলের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ ইসরায়েলের কুখ্যাত এসদে তেইমান আটক কেন্দ্রে এক ফিলিস্তিনি বন্দীকে ধর্ষণসহ যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচ সেনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েলি সামরিক প্রসিকিউটররা। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জ
১ ঘণ্টা আগে
যাজকদের উদ্দেশে দেওয়া ওই ভাষণে পোপ কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি শুধু বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাতের জন্য যাদের ওপর গুরুতর দায়িত্ব বর্তায়, সেই খ্রিষ্টানদের কি নিজের বিবেক পরীক্ষা করার এবং কনফেশনে যাওয়ার মতো আত্মবিশ্বাস ও সাহস আছে?’
২ ঘণ্টা আগে