
ইঞ্জিন চালানোর জন্য যেমন তেলের প্রয়োজন হয়, তেমনি ইঞ্জিনের ভেতরের ছোট ছোট পার্টসকে সচল রাখতে ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন ওয়েল। তবে এই ইঞ্জিন ওয়েল আমাদের দেশে মবিল নামেই বেশি পরিচিত। কেউ কেউ আবার এটিকে ইঞ্জিন লুব্রিকেন্টসও বলে থাকে। মূলত মবিল একটি ব্র্যান্ডের নাম। এই ব্র্যান্ডের ইঞ্জিন ওয়েল দেশে বহুল প্রচলিত হওয়ার কারণেই ইঞ্জিন ওয়েল মবিল নামে কিছুটা পরিচিত।
ইঞ্জিন ওয়েল কী
ইঞ্জিন ওয়েল মূলত এক ধরনের তরল লুব্রিকেন্ট, যা ইঞ্জিনের ভেতরের বিভিন্ন ছোট ছোট পার্টসকে চলতে সহায়তা করে। ইঞ্জিন যখন চলে, তখন এর ভেতরে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মধ্যে অতিমাত্রায় ঘর্ষণ হয়। ঘর্ষণের ফলে ইঞ্জিনের পার্টসগুলো ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই ক্ষয় রোধের জন্যই ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন ওয়েল। পাশাপাশি ইঞ্জিনকে বিভিন্ন অক্সিডেশন এবং ক্ষতিকর পার্টিকেল বা রাসায়নিক কণার হাত থেকে রক্ষা করে। বাইকের ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে। ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতাও অনেকটা নির্ভর করে ইঞ্জিন ওয়েলের ওপর। সে জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতে হয়।
ইঞ্জিন ওয়েলের প্রকারভেদ
বাজারে বিভিন্ন কোম্পানিভেদে নানা ধরন ও গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল পাওয়া যায়।
মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েল
খনিজ থেকে প্রাপ্ত পেট্রোলিয়াম তেল পরিশোধন করে এই ইঞ্জিন ওয়েল পাওয়া যায়। ভূ-গর্ভ থেকে যে তেল আমরা পাই, সেটিই মূলত মিনারেল ওয়েল। পরিশোধনের সময় এই তেল থেকে ক্ষতিকর হাইড্রোকার্বন সরিয়ে ফেলা হয়। সাধারণত মোটরসাইকেল কোম্পানিগুলো মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহারের পরামর্শই দিয়ে থাকে। তবে এর ব্যবহারে ইঞ্জিনের জ্বালানি চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়।
সিনথেটিক ওয়েল
পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি তেল এটি। অন্য যৌগ থেকে (সিনথেসিস প্রক্রিয়া) বিক্রিয়ার মাধ্যমে এ ধরনের তেল তৈরি করা হয় বলে এই তেলকে সিনথেটিক তেল বলে। এই ইঞ্জিন ওয়েল ইঞ্জিনের শক্তি বাড়ায়, পাশাপাশি অনেক দিন ধরে ব্যবহার করা যায়।
সেমি-সিনথেটিক ইঞ্জিন ওয়েল
মিনারেল ও সিনথেটিক ওয়েলের মিশ্রণকে সেমি-সিনথেটিক ওয়েল বলে।
মোটরসাইকেল ইঞ্জিন ওয়েল বিভিন্ন গ্রেডের হয়ে থাকে। যেমন 5 W-40,10 W-40, 10 W-30,20 W-50 ইত্যাদি। তবে মোটরসাইকেল কোম্পানির নির্দিষ্ট করে দেওয়া গ্রেড অনুযায়ী ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। আপনার মোটরসাইকেলের ভালো পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করে এই গ্রেডের ওপর। আপনি যদি অন্য কোনো গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করেন, তাহলেও মোটরসাইকেল চলবে। তবে সে ক্ষেত্রে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হবে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
বাজারে Shell, Mobil, Motul, Castrol, Total, Liqui Moly -সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইঞ্জিন ওয়েল পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে আপনার ইঞ্জিনের জন্য নির্ধারিত গ্রেড মিলিয়ে যেকোনো ব্র্যান্ডের ইঞ্জিন ওয়েল কিনতে পারেন। তবে যে কোম্পানির ইঞ্জিন ওয়েলই ব্যবহার করেন না কেন, সব সময় চেষ্টা করবেন একই ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করার। এখন বিভিন্ন মোটরসাইকেল কোম্পানি তাদের নিজেদের নামেই ইঞ্জিন ওয়েল বাজারজাত শুরু করেছে।
সাধারণত মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েলের দাম কম। চলেও অল্প সময়। ৮০০-১০০০ কিলোমিটারের মধ্যে মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েল পাল্টে ফেলা ভালো। সেমি-সিনথেটিক ইঞ্জিন ওয়েলের দাম মিনারেলের চেয়ে কিছুটা বেশি, চলেও মিনারেলের চেয়ে বেশি কিলোমিটার। আর সবচেয়ে দামি সিনথেটিক ইঞ্জিন ওয়েল। এই ইঞ্জিন ওয়েল দিয়ে অনেক বেশি কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালানো যায়। তবে কখনোই মিনারেলের সঙ্গে সিনথেটিক অথবা সেমি-সিনথেটিক ওয়েল মেশাবেন না। নিয়ম মেনে ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতে হয়। সে ক্ষেত্রে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ওয়েল ফিল্টার থাকে। সেটিও পরিবর্তন করে ফেলা ভালো।

আসছে এপ্রিল মাস থেকে ব্রাউজারে ব্যবহার করতে পারবেন না মেসেঞ্জার। থাকবে না টপের অ্যাপ্লিকেশনটিও। ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটিসে এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই সমস্যার কারণে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব
১ দিন আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ বুধবার এক বিবৃতিতে ৪৪ লাখ ফলোয়ারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানানো হয়।
১ দিন আগে
বছর পাঁচেক আগে করোনার সংক্রমণে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল, পুরো মানবসভ্যতা বিলীন হতে বসেছিল। আর তার ১০০ বছর আগে স্প্যানিশ ফ্লুর বিষাদময় বৈশ্বিক মহামারির ইতিহাসও আমাদের জানা আছে। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সাল—এই দুই বছরে ২০০ কোটির কম মানুষের এই পৃথিবীর ৩ থেকে ৫ কোটি মানবসন্তানের জীবনহানি ঘটিয়েছিল সেই ভয়ংকর ভাইরাস।
২ দিন আগে