ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মামলা খেল ফেসবুক। অভিযোগ হলো, এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেক্সাসের লাখ লাখ অধিবাসীর সম্মতি ছাড়াই তাদের বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ করেছে ফেসবুক। গতকাল সোমবার রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা সুরক্ষা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
মামলার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের সম্মতি ছাড়াই তাদের আপলোড করা ছবি এবং ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে ফেসবুক। পরবর্তীতে তা অন্যদের কাছে প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে সে তথ্য ধ্বংস করতেও ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক।
টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণামূলক ব্যবসায়িক অনুশীলনের আরেকটি উদাহরণ, যা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। টেক্সাসবাসীর গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
এ মামলার বিষয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। এর আগে ২০২০ সালে ইলিনয় রাজ্যের একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার দিতে সম্মত হয়েছিল ফেসবুক।
গত নভেম্বরে একটি ব্লগ পোস্টে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছিল যে, তারা একটি ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম বন্ধ করে দিচ্ছে এবং এক বিলিয়নেরও বেশি লোকের তথ্য মুছে ফেলবে।

বর্তমান বিশ্বে তথ্য অনুসন্ধানের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। কিন্তু এই এআই কতটা নির্ভুল? বিবিসি সাংবাদিক টমাস জার্মেইনের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, একটি তুচ্ছ মিথ্যা ব্লগ পোস্টের মাধ্যমেও বিশ্বের বড় বড় এআই চ্যাটবটগুলোকে অনায়াসেই...
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) সিস্টেমের টেস্ট রানের (পরীক্ষামূলক চালু) কারণে কিছু গ্রাহকের মোবাইল সংযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
২০৩০ সালের মধ্যে কম্পিউটিং খাতে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে ওপেনএআই। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা সংস্থা আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা কোম্পানির মূল্য সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
২০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের তৈরি নতুন এআই মডেল ‘সিড্যান্স ২.০’ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এটি কী করতে পারে আলোচনা তা নিয়ে নয়, বরং ভবিষ্যতে হলিউডের মতো সৃজনশীল শিল্পের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
২ দিন আগে