টেস্টিং সল্টসমৃদ্ধ খাবার বেশি পরিমাণে খেলে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যেমন মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, ঝিমুনি ভাব, শরীরে লাল লাল র্যাশ ওঠা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি। এ ছাড়া টেস্টিং সল্টের গ্লুটামিক অ্যাসিড আমাদের দেহের জন্য একটি অপ্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড। এটি দেহে নিজে থেকেই তৈরি হয়। ফলে আমরা যখন বেশি পরিমাণে টেস্টিং সল্ট দেওয়া খাবার খাই, তখন রক্তে এই গ্লুটামিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। এটি রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে গিয়ে স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। এর ফলে অস্থিরতা, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
আমাদের দেশে বেশির ভাগ শিশু প্রতিদিন চিপস খেয়ে থাকে। একটু লক্ষ করলেই চিপসপ্রিয় শিশুদের মধ্যে এই লক্ষণগুলো দেখা যাবে। এ ছাড়া মারাত্মক বিষয় হচ্ছে, যদি কোনো গর্ভবতী মা অতিরিক্ত পরিমাণে টেস্টিং সল্টসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে তাঁর গর্ভের সন্তান মানসিক সমস্যা নিয়ে জন্মাতে পারে। কারণ টেস্টিং সল্টের গ্লুটামেট মস্তিষ্কের নিউরনে বিভিন্নভাবে আঘাত করে এর স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দেয়।
টেস্টিং সল্ট আমাদের জিহ্বার স্বাদগ্রন্থিকে উত্তেজিত করে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে। ফলে যারা টেস্টিং সল্টসমৃদ্ধ খাবার খেয়ে থাকে, তাদের অন্য কোনো খাবার ভালো লাগে না। তারা ধীরে ধীরে ফাস্টফুড, চায়নিজ ফুড, চিপস, চিকেন ফ্রাইয়ের মতো উচ্চ ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে তাদের মধ্যে দেখা দেয় স্থূলতা।
অনেকে টেস্টিং সল্টের ভয়াবহতা না জেনে বাসায় তৈরি করা খাবারেও সেটি ব্যবহার করে থাকেন, যা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে পরিবারের সবাইকে। তাই স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টিকারী টেস্টিং সল্টসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে শিশু, গর্ভবতীসহ সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
লেখক: পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল।

দেশে এবার সংক্রামক রোগ হাম সংক্রমণ শনাক্তের হার ৪২ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ প্রতি ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করলে প্রায় অর্ধেকেই রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তবে একটি মাত্র পরীক্ষাগার থাকা ও কিটের সংকটের কারণে পরীক্ষা কম হওয়ায় সংক্রমণের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া কঠিন হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে পরিচালিত ‘৫৬ হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে’ শীর্ষক মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার উপজেলার মনিরাম বাজারসংলগ্ন হাফিজ ইব্রাহিম কলেজ প্রাঙ্গণে আ
৭ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনে এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা
১২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৩ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১৭।
১২ ঘণ্টা আগে