
আমি একজন শিল্পী। বিভিন্ন ইলাস্ট্রেশনের কাজ করি। আমি সাধারণত অনলাইনে নানা মাধ্যমে প্রকাশিত গল্পের অলংকরণের কাজ করেছি বেশি। তবে আমার আঁকা ছবিগুলোর স্বত্ব নিয়ে বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়। এর আগেও সমস্যায় পড়েছি। সব সময় মিউচুয়াল করতে হয়েছে। আমি এই সমস্যার সমাধান কীভাবে পেতে পারি? কাজটা তো আমি বন্ধ করতে চাই না। সে ক্ষেত্রে আইনি ধাপগুলো কীভাবে নিতে পারি?
মৌমিতা নূর, নীলফামারী
উত্তর: ইলাস্ট্রেশন কিংবা আর্টওয়ার্কের স্বত্ব নিয়ে ঝামেলা—এটা ফ্রিল্যান্স আর্টিস্টদের জন্য খুবই সাধারণ কিন্তু সিরিয়াস একটি বিষয়। আপনার কাজ বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে এটাকে প্রফেশনালি ম্যানেজ করার কিছু উপায় রয়েছে, বিশেষ করে আইনের দিক থেকে।
জেনে নিন—
কেউ যদি কপি করে, তাহলে যা করবেন
স্ক্রিনশটসহ প্রমাণ সংগ্রহ করে নিন। ই-মেইল কিংবা মেসেজে একটা নোটিশ করে রাখুন। তারপর প্রয়োজনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আওতায় কোনো আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে নিন। ‘সিজ অ্যান্ড ডেসিস্ট’ লেটার পাঠাতে পারেন। চরম ক্ষেত্রে কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলা করতে পারবেন।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা অন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করলে প্ল্যাটফর্মের কপিরাইট রিপোর্ট সিস্টেম ব্যবহার করুন। যেমন ডিএমসিএ টেকডাউন।
এ ছাড়া কাজের ক্ষেত্রে সুরক্ষিত থাকতে হলে মিউচুয়ালের পাশাপাশি ডকুমেন্টেশন, চুক্তিপত্র—এসবের দিকেও আপনার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল অনেক নারী দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ইতিহাসের নানা সময়ে জন্মেছিলেন। কিন্তু ইতিহাস হয়তো তাঁদের মনে রাখেনি। এমন কয়েকজন নারী আছেন এই অঞ্চলে, যাঁরা শুধু সাফল্য অর্জন করেই থেমে যাননি; বদলে দিয়েছেন সমাজ, রাষ্ট্র এবং হাজারো মানুষের জীবন। কেউ উগ্রপন্থী রাজনৈতিক শক্তির মুখোমুখি হয়ে নারী
১ দিন আগে
আমি একটি ফুড শপ ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ব্যবসার হিসাব এবং পরিস্থিতি ধরে রাখতে পারিনি। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া প্রতিটি টাকা ব্যবসার পেছনে খরচ করেছি। একপর্যায়ে দৈনিক পরিচালন খরচ চালাতে হিমশিম খেয়ে দোকানটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হই। দোকানটি বিক্রি করার পর যে সামান্য টাকা পেয়েছিলাম
১ দিন আগে
‘শান্তি’ শব্দটির অর্থ ব্যক্তির অনুভূতি আর প্রেক্ষাপটভেদে আলাদা। কেউ কেউ শান্তি বলতে বোঝেন শুধু যুদ্ধবিরতি কিংবা কোনো রাষ্ট্রীয় আর রাজনৈতিক চুক্তিকে। কিন্তু সহিংসতাহীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির বাইরেও একজন মানুষের দৈনন্দিন অস্তিত্বের সঙ্গে শান্তির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে লজ্জা, ভয়,
১ দিন আগে
পুলিৎজারজয়ী মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’ লিখেছিলেন আমেরিকান লেখিকা ও সাংবাদিক মার্গারেট মানেরলিন মিচেল। জীবদ্দশায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত তাঁর এই একটিমাত্র উপন্যাসই প্রকাশিত হয়েছিল। এটি সাহিত্যজগতে সৃষ্টি করে যুগান্তকারী ইতিহাস।
১ দিন আগে