বিশ্ব বেতার দিবস
ফিচার ডেস্ক

কণ্ঠস্বর কী এমন করতে পারে, এমনটি ভাবেন অনেকে। এর উত্তরে বলা যেতে পারে, কণ্ঠস্বর কী না করতে পারে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের উজ্জীবিত রাখতে, সাহস জোগাতে বড় ভূমিকা পালন করেছিল বাংলাদেশ বেতার।
শুধু আমাদের দেশে নয়, বেতার এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এ মাধ্যমে শুধু যোগাযোগ নয়, শিক্ষার কাজও করে যাচ্ছেন অনেকে, যেমন আফগানিস্তানের বেগম রেডিও। এই বেতার স্টেশন থেকে আফগান মেয়ে ও নারীদের শিক্ষার জন্য বিভিন্ন আয়োজন সম্প্রচার করা হয়। শুধু তা-ই নয়, বেগম টিভি নামের একটি ফ্রান্সভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আফগানিস্তানে ঘরবন্দী নারীদের জন্য শিক্ষামূলক এবং কিছু বিনোদন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। বেগম একাডেমি মেয়েদের বিনা মূল্যে মাল্টিমিডিয়া কোর্স পরিচালনাকারী একটি অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। এসব উদ্যোগ চালু করেছেন একজন আফগান-সুইস মিডিয়া উদ্যোক্তা এবং সামাজিক আন্দোলনকর্মী হামিদা আমান।
২০২১ সালে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে তালেবান সরকার আফগানিস্তানে নারীদের শিক্ষার সুযোগ কঠোরভাবে সীমিত করেছে। একটি কঠোর ইসলামিক আইনের ব্যাখ্যা অনুসরণ করে তারা ঘোষণা দেয়, সব নারীকে বোরকা পরতে হবে। এরপর এমন কিছু আইন জারি করা হয়, যেগুলোর মাধ্যমে আফগান নারীরা জনজীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হন; কিন্তু কোনো কিছুই একেবারে থেমে যায় না।

যখন তালেবান শাসন আফগান মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন মিডিয়া উদ্যোক্তা হামিদা আমান সিদ্ধান্ত নেন বেগম একাডেমি চালু করার। তালেবান বিধিনিষেধের কারণে যারা স্কুলে যেতে পারছে না, এই প্ল্যাটফর্ম তাদের মাধ্যমিক শিক্ষার কোর্স সরবরাহ করে। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাস আগে ৮ মার্চ নারী দিবসে প্রতিষ্ঠিত হয় বেগম রেডিও। এটি কাবুল ও আশপাশ এলাকায় সম্প্রচার শুরু করে সে সময়। পাশাপাশি ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় তাদের পাঠ্যক্রম। গত বছর শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মটি দারি ও পশতু ভাষায় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সাজানো ৮ হাজার ৫০০-এর বেশি ভিডিও প্রকাশ করেছে। বেগম রেডিও মূলত নারী পরিচালিত এবং নারীদের জন্য উন্মুক্ত একটি বেতার। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বেগম টিভি চালু করেন হামিদা। সেখানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বেগম একাডেমির কোর্স সম্প্রচার করা হয়।
আফগানিস্তানে জন্ম নেওয়া হামিদা বড় হয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সোভিয়েত ইউনিয়নের আক্রমণের পর তাঁর পরিবার সুইজারল্যান্ড চলে যায়। লেখাপড়া শেষে তিনি আফগানিস্তানে নারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে কাজ শুরু করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় একটি সম্মানজনক উপাধি বেগম। এটি সাধারণত বিবাহিত মুসলিম নারীকে সম্বোধন করতে ব্যবহার করা হয়। বেগম রেডিও, বেগম টিভি ও বেগম একাডেমি মূলত নারীদের কণ্ঠস্বর। যেখান থেকে নারীদের কথা বলা হয়, নারীদের জন্য কথা বলা হয়। হামিদা আমানের এসব উদ্যোগ আফগান নারীদের শিক্ষার অধিকার ও স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বেতার স্টেশনটি সম্পর্কে আমান বলেন, ‘এই স্টেশন নারীদের কণ্ঠ—তাঁদের কষ্ট, হতাশা প্রকাশের একটি মাধ্যম।’

কণ্ঠস্বর কী এমন করতে পারে, এমনটি ভাবেন অনেকে। এর উত্তরে বলা যেতে পারে, কণ্ঠস্বর কী না করতে পারে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের উজ্জীবিত রাখতে, সাহস জোগাতে বড় ভূমিকা পালন করেছিল বাংলাদেশ বেতার।
শুধু আমাদের দেশে নয়, বেতার এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এ মাধ্যমে শুধু যোগাযোগ নয়, শিক্ষার কাজও করে যাচ্ছেন অনেকে, যেমন আফগানিস্তানের বেগম রেডিও। এই বেতার স্টেশন থেকে আফগান মেয়ে ও নারীদের শিক্ষার জন্য বিভিন্ন আয়োজন সম্প্রচার করা হয়। শুধু তা-ই নয়, বেগম টিভি নামের একটি ফ্রান্সভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আফগানিস্তানে ঘরবন্দী নারীদের জন্য শিক্ষামূলক এবং কিছু বিনোদন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। বেগম একাডেমি মেয়েদের বিনা মূল্যে মাল্টিমিডিয়া কোর্স পরিচালনাকারী একটি অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। এসব উদ্যোগ চালু করেছেন একজন আফগান-সুইস মিডিয়া উদ্যোক্তা এবং সামাজিক আন্দোলনকর্মী হামিদা আমান।
২০২১ সালে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে তালেবান সরকার আফগানিস্তানে নারীদের শিক্ষার সুযোগ কঠোরভাবে সীমিত করেছে। একটি কঠোর ইসলামিক আইনের ব্যাখ্যা অনুসরণ করে তারা ঘোষণা দেয়, সব নারীকে বোরকা পরতে হবে। এরপর এমন কিছু আইন জারি করা হয়, যেগুলোর মাধ্যমে আফগান নারীরা জনজীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হন; কিন্তু কোনো কিছুই একেবারে থেমে যায় না।

যখন তালেবান শাসন আফগান মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন মিডিয়া উদ্যোক্তা হামিদা আমান সিদ্ধান্ত নেন বেগম একাডেমি চালু করার। তালেবান বিধিনিষেধের কারণে যারা স্কুলে যেতে পারছে না, এই প্ল্যাটফর্ম তাদের মাধ্যমিক শিক্ষার কোর্স সরবরাহ করে। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাস আগে ৮ মার্চ নারী দিবসে প্রতিষ্ঠিত হয় বেগম রেডিও। এটি কাবুল ও আশপাশ এলাকায় সম্প্রচার শুরু করে সে সময়। পাশাপাশি ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় তাদের পাঠ্যক্রম। গত বছর শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মটি দারি ও পশতু ভাষায় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সাজানো ৮ হাজার ৫০০-এর বেশি ভিডিও প্রকাশ করেছে। বেগম রেডিও মূলত নারী পরিচালিত এবং নারীদের জন্য উন্মুক্ত একটি বেতার। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বেগম টিভি চালু করেন হামিদা। সেখানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বেগম একাডেমির কোর্স সম্প্রচার করা হয়।
আফগানিস্তানে জন্ম নেওয়া হামিদা বড় হয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সোভিয়েত ইউনিয়নের আক্রমণের পর তাঁর পরিবার সুইজারল্যান্ড চলে যায়। লেখাপড়া শেষে তিনি আফগানিস্তানে নারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে কাজ শুরু করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় একটি সম্মানজনক উপাধি বেগম। এটি সাধারণত বিবাহিত মুসলিম নারীকে সম্বোধন করতে ব্যবহার করা হয়। বেগম রেডিও, বেগম টিভি ও বেগম একাডেমি মূলত নারীদের কণ্ঠস্বর। যেখান থেকে নারীদের কথা বলা হয়, নারীদের জন্য কথা বলা হয়। হামিদা আমানের এসব উদ্যোগ আফগান নারীদের শিক্ষার অধিকার ও স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বেতার স্টেশনটি সম্পর্কে আমান বলেন, ‘এই স্টেশন নারীদের কণ্ঠ—তাঁদের কষ্ট, হতাশা প্রকাশের একটি মাধ্যম।’

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৩ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
৩ দিন আগে