স্মরণ
ফিচার ডেস্ক

উনিশ ও বিশ শতকের নারীবাদকে বেশ কিছুটা এগিয়ে দিয়েছিল ম্যারি ওলস্টোনক্র্যাফ্টের লেখা। সেই সময় ইউরোপে নারীদের নাগরিক অধিকার প্রায় ছিলই না। তিনি ফরাসি বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নারীদের জন্যও ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’ দাবি করেন। তাঁর লেখা বিখ্যাত বই ‘আ ভ্যান্টিকেশন অব দ্য রাইটস অব উইমেন’। ১৭৯২ সালে প্রকাশিত বইটি নারীবাদী সাহিত্যের প্রথম রচনা হিসেবে স্বীকৃত। বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, নারী পুরুষের মতোই যুক্তিবোধসম্পন্ন এবং শিক্ষার সমান অধিকার পাওয়ার যোগ্য। ম্যারি ওলস্টোনক্র্যাফ্টের জন্ম ১৭৫৯ সালের ২৭ এপ্রিল এবং মারা যান ১৭৯৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর।

উনিশ ও বিশ শতকের নারীবাদকে বেশ কিছুটা এগিয়ে দিয়েছিল ম্যারি ওলস্টোনক্র্যাফ্টের লেখা। সেই সময় ইউরোপে নারীদের নাগরিক অধিকার প্রায় ছিলই না। তিনি ফরাসি বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নারীদের জন্যও ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’ দাবি করেন। তাঁর লেখা বিখ্যাত বই ‘আ ভ্যান্টিকেশন অব দ্য রাইটস অব উইমেন’। ১৭৯২ সালে প্রকাশিত বইটি নারীবাদী সাহিত্যের প্রথম রচনা হিসেবে স্বীকৃত। বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, নারী পুরুষের মতোই যুক্তিবোধসম্পন্ন এবং শিক্ষার সমান অধিকার পাওয়ার যোগ্য। ম্যারি ওলস্টোনক্র্যাফ্টের জন্ম ১৭৫৯ সালের ২৭ এপ্রিল এবং মারা যান ১৭৯৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
২ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
২ দিন আগে