
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যাঁরা হতাহত হয়েছেন, পর্যায়ক্রমে অবশই প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে। কোনো প্রতিহিংসামূলক বিচার নয়, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য।

তিনি বলেন, ‘গণমানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী এই জুলাই। আমাদের স্মৃতিতে জুলাই দীর্ঘ ৩৬ দিনের এক ঐতিহাসিক মাস। অন্যায়ের বিরুদ্ধে পুরো জাতি সেদিন কী ভীষণ শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, তা আজও আমাদের গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।’

শেখ হাসিনার টানা প্রায় দেড় দশকের শাসনে ভোটের অধিকার ও বাক্স্বাধীনতা কার্যত হারিয়ে ফেলেছিল মানুষ। এ ছাড়া সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন কায়দায় লুটপাট এবং বিরোধী মত দমনে গুম, খুন ও নির্যাতনে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল জনগণ। সেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহতদের সহায়তার জন্য গঠিত জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছে। টাকা না থাকায় আহত জুলাই যোদ্ধাদের অনেককে এখনো সহায়তা দেওয়া যায়নি। ফাউন্ডেশনের কর্মীরাও পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। এমনকি শাহবাগে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের ১২ মাসের ভাড়া প্রায় ২৪ লাখ