শ্বেতপত্র

শুধু সুপারিশে অর্থনীতি পাল্টায় না; প্রয়োজন হয় সাহস, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা। গণ-আন্দোলনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য যে সাতটি বড় ধরনের সংস্কারের সুপারিশ করেছিল শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। এক বছর পার হলেও তার বেশির ভাগ এখন ফাইলের নিচে চাপা। তিনটি শুরু হয়েছে অর্ধেকমুখীভাবে, চারটি একটুও

টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি সম্পর্কে গেজেটে বলা হয়, আইসিটি খাতে অনিয়ম ও অপব্যবস্থাপনার তদন্ত এবং আইসিটি শ্বেতপত্র প্রকাশের নিমিত্তে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগের বিগত সরকারের সময়ে সম্পাদিত সব ধরনের চুক্তি এবং প্রকল্পের ডিপিপি, সব অডিট রিপোর্ট...

অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম মূল লক্ষ্য হচ্ছে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আওয়ামী লীগ আমলের আইসিটি ও ডিজিটালাইজেশন খাতের দুর্নীতি নিয়ে শ্বেতপত্র করতে উচ্চপর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দু-এক দিনের মধ্যে গঠিত এ কমিটি ২ মাসের মধ্যে

শ্বেতপত্রে উঠে এসেছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র। দুর্নীতি, মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ সংকটের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যতে সংস্কারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশদ আলোচনা...