
স্বাগত বক্তব্যে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিলি ইসলাম বলেন, বিশ্বগ্রাসীর বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সমাজে যখন অস্থিরতা, বিভ্রান্তি, অবক্ষয়ের দেখা দিয়েছে, তখনই সংস্কৃতি পথ দেখিয়েছে।

রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী হিসেবেই পরিচিত জয়তী চক্রবর্তী। রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি আধুনিক গান ও সিনেমার প্লেব্যাকেও পাওয়া গেছে তাঁকে। এবার প্রথমবারের মতো দ্বৈত কণ্ঠের মৌলিক গান নিয়ে আসছেন জয়তী চক্রবর্তী। ‘যদি অকারণ’ শিরোনামের গানটিতে জয়তীর সঙ্গে গেয়েছেন সমরজিৎ রায়। লিখেছেন গীতিকবি সঞ্জয় রায়।

পাপিয়া সারোয়ার ১৯৫২ সালের ২১ নভেম্বর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ছায়ানটে ভর্তি হওয়ার পর তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে গান শিখতে শুরু করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে বেতার ও টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে গান গাইছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যা

ভালো নেই পাপিয়া সারোয়ার। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি। তিন বছর ধরে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসারে ভুগছেন রবীন্দ্রসংগীতের এই শিল্পী। চিকিৎসকেরাও শোনাতে পারছেন না কোনো আশার বাণী।