
প্রবীণ মানুষ সমাজের জীবন্ত ইতিহাস, অভিজ্ঞতার ভান্ডার ও জ্ঞানের আলোকবর্তিকা। তাঁরা শুধু পরিবার নয়, সমগ্র জাতির জন্য একটি ভিত্তি ও দিকনির্দেশনা। তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতিবছর ১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো প্রবীণদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও অধিকার...

প্রতিবছর ১৫ জুন ‘বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। জাতিসংঘের আহ্বানে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। দিবসটির এ বছরের স্লোগান হলো—‘ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে প্রবীণের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সুখ-সমৃদ্ধির অগ্রাধিকার’।

‘ইতিকাফ আল্লাহ কবুল করবেন কি না জানি না। কয়দিন আর বাচমু, ঋণ পরিশোধ না করলে তো আল্লাহ মাফ করবে না। ৪০ বছর আগের মহাজনের দেনা পরিশোধ করতে পেরেছি। এখন মরেও শান্তি পাব।’ কথাগুলো বলছিলেন ৪০ বছর আগের ঋণ পরিশোধ করে মসজিদে ইতিকাফে বসা নব্বই-ঊর্ধ্ব প্রবীণ মো. ফুল মিয়া।

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব প্রবীণ দিবস ছিল ১ অক্টোবর। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় প্রবীণদের জন্য প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণে প্রজন্মের ভূমিকা’। একজন প্রবীণের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক—স্বাস্থ্যের এই সম্পূর্ণ আঙ্গিকেই যত্নের প্রয়োজন হয়।