
থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সমাজে নানা ধরনের ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে মনে করেন, বাহক হলে বিয়েতে সমস্যা হবে। এ কারণে অনেকেই পরীক্ষা করাতে চান না। অথচ বিশেষজ্ঞদের মতে, ছেলে বা মেয়ের একজন বাহক হলে সাধারণত ঝুঁকি থাকে না; সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন দুজনই বাহক হন। তাই বিয়ের আগে পরীক্ষা করানোকে গুরুত্ব দিতে হবে।

থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। তাই সচেতনতা, সময়মতো পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিবছর বাংলাদেশে জন্মগত রক্তরোগ থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার শিশু। বর্তমানে দেশে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ এই রোগে ভুগছে। আজ মঙ্গলবার (৬ মে) রাজধানীর মালিবাগে থ্যালাসেমিয়া-বিষয়ক এক কর্মশালায় বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এসব তথ্য উপস্থাপন করেছে।

দেশের ১০ থেকে ১২ শতাংশ, অর্থাৎ দেড় কোটির বেশি মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। দেশে আনুমানিক ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু-কিশোর রয়েছে। প্রতিবছর ৭ থেকে ১০ হাজার শিশু এই রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। বিশ্বে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহকসংখ্যা প্রায় ২৫০ মিলিয়ন এবং প্রতিবছর ১ লাখ শিশু এই রোগ নিয়ে জন্