
বিদেশি ঋণের নতুন ছাড় ও প্রতিশ্রুতি কমছে। কিন্তু পুরোনো ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়ছে। বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ঋণ শোধ এখন শুরু হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং সংস্কার কার্যক্রমে শ্লথ অগ্রগতির কারণে উন্নয়ন

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এখনো পূর্ণ হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা দুর্বল, ফলে এই মুহূর্তে উত্তরণের সুযোগ দেখছেন না তিনি।

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে দেশের বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সূচকে একসঙ্গে বিপরীতমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ সময়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ কমে গিয়ে প্রায় ১০৮ কোটি ডলারের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এর বিপরীতে ঋণের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৭.৭৭ কোটি ডলার বা ৩.৩ শতাংশ।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী গত বুধবার জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক...