
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বোধকরি দেশের বৃহত্তম সেক্টর করপোরেশন। আয়-ব্যয়, স্থিতি কিংবা কার্যপরিধি সব বিবেচনায়ই বৃহত্তম। বিশেষ গুরুত্বপূর্ণও বটে। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশের স্বচ্ছতা ও যথার্থতা সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছিল। এখনো আছে। কখনো কখনো সেই চিহ্নটি একেবারে ন

গত বছরের মাঝামাঝিতে শুরু হওয়া ডলার-সংকটের রেশ এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ডলারের অভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোর পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। বিলম্বে আমদানি বিল পরিশোধের জন্য গুনতে হচ্ছে জরিমানা। শুনতে হচ্ছে তেল সরবরাহ বন্ধ এবং জর

জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর কমিশন বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে চলমান জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিতরণ বন্ধের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল।

প্রকৃত দাম গোপন করে ২৫ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৩১টি বিল অব এন্ট্রিতে (বি/ই) এলসি মোতাবেক মূল্যের চেয়ে ঘোষিত মূল্য কম দেখিয়ে