
আজ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ সংশোধনের বিলটি উত্থাপন করেন। পরে দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী না থাকায় তা উত্থাপিত আকারে পাস হয়।

ইসলামি ব্যাংকিংয়ের শরিয়াহ বোর্ডের ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, ‘ইসলামি ব্যাংকিং সঠিক পথে ফেরাতে হলে শরিয়াহ বোর্ডকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে। তাদের সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। স্বাধীনভাবে কাজের আইনি নিশ্চয়তা দিতে হবে।

ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুর্বল পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী আমানতকারীরা। তাঁরা বলেন, ‘চোর-ডাকাতের ভয়ে ঘরে টাকা রাখিনি, ব্যাংকে রেখেছিলাম। এখন দেখি এখানেও ডাকাত! তাহলে আমরা কোথায় যাব?’

দেশের রপ্তানিকারকদের ঋণ দিতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) নামে একটি বিশেষ তহবিল আছে। এই তহবিলের অর্থের জোগান দেওয়া হয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। বর্তমানে তহবিলটির আকার ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এটা বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।