বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। টেক্সাসের বাসিন্দা মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ২১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বিশ্বের শীর্ষ এই ধনী ব্যক্তির দাবি, তাঁর নিজের কোনো বাড়ি নেই। বন্ধুদের বাড়ির অতিরিক্ত বেডরুমগুলোতে থাকেন তিনি। সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম টিইডিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাস্ক এমন দাবি করেন। গত রোববার টিইডি তাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকারটি শেয়ার করেছে।
ওই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ তুলে ধরেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট।
সাক্ষাৎকারে ইলন মাস্ক বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার কোনো বাড়ি নেই। আমি আক্ষরিক অর্থেই বন্ধুদের বাড়িতে থাকি। টেসলার বেশির ভাগ ইঞ্জিনিয়ারিং হয় সান ফ্রান্সিসকো। সেখানে ভ্রমণ করলে আমি মূলত বন্ধুদের অতিরিক্ত বেডরুমে থাকি।’
স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘আমার কোনো প্রমোদতরি নেই। আমি ছুটিও নিই না।’
মাস্ক বিশ্বজুড়ে সম্পদের বৈষম্য এবং বিলিয়নিয়ারদের ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত খরচ বেশি না। তবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার ব্যতিক্রম পরিকল্পনায়। আমি যদি পরিকল্পনা না করি, তাহলে আমার কাজ করার সময় কম থাকে।’
ইলন মাস্ক সম্পর্কিত পড়ুন:

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা কর্মীদের কম্পিউটারে নতুন এক ধরনের ট্র্যাকিং সফটওয়্যার ইনস্টল করছে। এর মাধ্যমে কর্মীদের মাউসের নড়াচড়া, ক্লিক এবং কি-বোর্ডের প্রতিটি কি-স্ট্রোক রেকর্ড করা হবে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলকে মানুষের কাজের ধরন শেখানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা
৩ দিন আগে
মার্কিন সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ‘ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব’ নিশ্চিত করতে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স সরকার। দেশটির সরকারি দপ্তরগুলোতে প্রচলিত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের পরিবর্তে নিজস্ব লিনাক্স ভিত্তিক ইকোসিস্টেম চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ইন্টারমিনিস্টেরিয়াল ডিরেক্টরে
৪ দিন আগে
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) গবেষক নাটালিয়া কসমিনা একজন ইন্টার্ন খুঁজছিলেন। বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর তিনি বেশ কিছু সিভি এবং কাভার লেটার পেলেন। এরপর সেগুলো পড়তে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি দেখলেন, আবেদনকারীদের কভার লেটারগুলো একই রকম!
৪ দিন আগে
চীনা বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের নতুন তরল ইলেকট্রোলাইট তৈরি করেছেন, ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হলে যা মুহূর্তেই কঠিন হয়ে যায়। এতে একধরনের ‘ফায়ারওয়াল’ তৈরি হয় এবং সম্ভাব্য বিস্ফোরণের আগেই বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার এনার্জি’তে।
৪ দিন আগে