অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক নতুন অপারেটিং সিস্টেম হাইপারওএস নিয়ে আসার ঘোষণা দিল শাওমি। কোম্পানির সিইও লি জুন বলেন, এই সিস্টেম শাওমির নতুন ১৪ সিরিজের স্মার্টফোনে প্রথম পাওয়া যাবে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য ডিভাইসের জন্য ছাড়া হবে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গ্যাজেট ৩৬০ এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
এক্স (টুইটার) লি জুন প্ল্যাটফর্মে বলেন, কয়েক বছরের শ্রমের ফসল হল শাওমির হাইপারওস। শুধু স্মার্টফোনগুলোর সিস্টেমকে সমর্থন দেবে না, ধীরে ধীরে কোম্পানির পুরো ইকোসিস্টেম এর আওতায় আসবে।
শাওমি ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট আলভিন বলেন, নতুন অপারেটিং সিস্টেমটি ফোন ও ট্যাবের মিউআইইইআইকে প্রতিস্থাপন করবে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনে হাইপার পারফরমেন্স, ফ্লুয়েডিটি ও যোগাযোগের নতুন যুগের সূচনা হবে।
আলভিন নিশ্চিত করেন, হাইপারওএস শুধুমাত্র চীনের জন্য ছাড়া হবে না পুরো বিশ্বে এটি পাওয়া যাবে। ২০২৪ বছরজুড়ে এটি বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য ছাড়া হবে।
তবে সিসেস্টমটি শুধু মিউআইইইআই–এর রিব্র্যান্ডিং নাকি শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েডের নতুন একটি মোড়ক তা স্পষ্ট নয়। যদিও কোম্পানি থেকে বলা হয়েছে, এটি পুরো নতুন একটি অপারেটিং সিস্টেম। হাইপারওস অ্যান্ড্রয়েড ১৪ এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০১০ সালে অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক মিউআইইইআই নিয়ে আসে শাওমি। সিস্টেমটির সর্বশেষ ভার্সন হল মিউআইইইআই ১৪ , যা গত বছরের ডিসেম্বরে উন্মোচন করা হয়। বর্তমানে মিউআইইইআই এর ৫ হাজার ৬৪০ লাখ সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলগুলো এখন আর কেবল মানুষের দেওয়া আদেশ পালন করছে না, বরং নিজেদের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তাব্যূহ ভেদ করছে। সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ দুই এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ওপেনএআই’ এবং ‘অ্যানথ্রোপিক’ স্বীকার করেছে যে, তাদের অপ্রকাশিত
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতসহ বিভিন্ন দেশের একাধিক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট ২৪ ঘণ্টার জন্য ‘রিভিউ’-তে পাঠিয়ে সব সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। গতকাল সোমবার মেটার এই প্ল্যাটফর্মটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল বিপ্লব আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বর্তমান যুগের প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু লাভবান হয়নি। শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানগুলোও এর সুবিধা নিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন মানুষ ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা অ্যানালিটিক এবং জেনারেটিভ এআইয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিশ্বমঞ্চে সাড়া....
১১ ঘণ্টা আগে
কল্পবিজ্ঞান কিংবা জেনসনস কার্টুনের সেই উড়ন্ত গাড়ির দৃশ্যকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং বা ইলেকট্রিক এয়ার ট্যাক্সি। ধারণাটি ছিল চমৎকার। পরিবেশবান্ধব আকাশযানগুলো হেলিকপ্টারের মতো খাঁড়াভাবে ওঠানামা করবে আর মাত্র ১০ মিনিটে যাত্রীদের ম্যানহাটান.....
১১ ঘণ্টা আগে