করোনাভাইরাস ধ্বংসকারী স্টিল তৈরি করেছেন হংকংয়ের গবেষকেরা। বিশ্বে যখন ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, তখনই এ তথ্য জানালেন বিজ্ঞানীরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
গত ২৫ নভেম্বর ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় এই স্টিলের কথা তুলে ধরেন। সেখানে বলা হয়, নতুন উদ্ভাবিত এই স্টিল তিন ঘণ্টার মধ্যে ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ করোনা ধ্বংস করতে সক্ষম। আর ছয় ঘণ্টার মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ করোনা ধ্বংস করতে সক্ষম।
গবেষণাটির নেতৃত্বে ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষক হুয়াং মিংক্সিন ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ইমিউনিটি অ্যান্ড ইনফেকশনের গবেষক লিও পুন। তাঁরা এই স্টিলটির পাবলিক প্লেসে পরীক্ষা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদি পরীক্ষাটি সফল হয়, তাহলে বিমানবন্দর, ট্রেন, স্টেডিয়ামের মতো জায়গায় কম দামে এই স্টিল ব্যবহার করতে পারে। আর এতে সাধারণ জীবনে ফেরাটাও সহজ হবে।
গবেষকেরা জানান, স্টিলের মিশ্রণটিতে ব্যাপক আকারে জীবাণুবিরোধী ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যাবে।
সাধারণ পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাসটি দুই দিনের বেশি পৃষ্ঠে থাকতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সফল হওয়ার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইংরেজি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। সিউলের একজন প্রকৌশলী, আবুধাবির উদ্যোক্তা, সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা প্যারিসের ব্যাংকার—নিজের মাতৃভাষা যা-ই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কূটনীতিতে প্রতিযোগিতা করতে ইংরেজি...
১৩ ঘণ্টা আগে
মাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বৈজ্ঞানিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ নিকন ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার এবারের বিজয়ী ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতার অন্য কয়েকজন বিজ্ঞানী অভিযোগ করেছেন, বিজয়ী ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এমন ব্যবহার হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার নিয়মের...
১ দিন আগে
এআই মডেলকে জৈব অস্ত্র তৈরি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তর বের করেছে চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। এআই নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এ ঘটনা। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চীনের এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মুনশটের একদল গবেষক নিজেদের জনপ্রিয় দুটি ‘কিমি’ (Kimi) এআই মডেলকে প্রলুব্ধ করে
৩ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা একটি স্বেচ্ছাধীন চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ‘জয়েস কমেন্টমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপন্সিবিলিটিজ’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে
৩ দিন আগে