
১০০ মিটার স্প্রিন্টে উসাইন বোল্টের সেরা টাইমিং ৯.৫৮ সেকেন্ড, নোয়া লাইলসের ৯.৭৯ সেকেন্ড। আর ২০০ মিটারে দুজনের সেরা টাইমিং—১৯.১৯ ও ১৯.৩১ সেকেন্ড। টাইমিংয়ের পার্থক্য যতই থাকুক, একটা জায়গায় ঠিকই জ্যামাইকান কিংবদন্তি উসাইন বোল্টকে ছুঁয়ে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের লাইলস। বোল্টের মতো লাইলসও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ২০০ মিটারে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলেন। গতকাল টোকিওর ট্র্যাকে ২০০ মিটারে ১৯.৫২ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছেন লাইলস। লাইলসের সতীর্থ কেনি বেডনারেক ১৯.৫৮ সেকেন্ড টাইমিং নিয়ে জিতেছেন রুপা। আর ব্রোঞ্জ জিতেছেন জ্যামাইকার
ব্রায়ান লেভেল (১৯.৬৪ সেকেন্ড)। দৌড়ের শুরুটা ভালো হয়নি লাইলসের। এবারও ব্লক থেকে বের হয়েই লেভেলের পেছনে পড়ে যান। তবে শেষ দিকে গতি বাড়িয়ে সবার আগে ছুঁয়েছেন সমাপ্তিরেখা। টোকিও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ১০০ মিটারে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন লাইলস। তাই ২০০ মিটারে জিতলে তাঁর ‘স্প্রিন্ট ডাবল’ হলো না। এই কীর্তি গড়েছেন মেয়েদের বিভাগে মেলিসা জেফারসন-উডেন। ১০০ মিটারে সোনাজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের এই নারী স্প্রিন্টার গতকাল মেয়েদের ২০০ মিটারে ২১.৬৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন। ২০১৩ সালে জ্যামাইকান কিংবদন্তি শেলি-অ্যান ফ্রেজার-প্রাইসের পর প্রথম নারী হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের স্প্রিন্ট ডাবল’ জিতলেন জেফারসন উডেন।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
১১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
১২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১৩ ঘণ্টা আগে