
চোট থেকে লম্বা সময় পর ট্র্যাকে ফিরেছিলেন ইমরানুর রহমান। সামার অ্যাথলেটিকসে পরশু পুনরুদ্ধার করেন দ্রুততম মানবের মুকুট। আজ ২০০ মিটার স্প্রিন্টে তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল নৌবাহিনীর। কিন্তু ৪০ মিনিট দৌড়ানোর পরই ট্র্যাকে পড়ে যান লন্ডন প্রবাসী এই অ্যাথলেট। মাঠে প্রাথমিক শুশ্রূষার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।
ইমরানুর পড়ে যাওয়ার পর ২০০ মিটারে সোনা জেতেন সেনাবাহিনীর তারেক রহমান। ২২.০৪ সেকেন্ড সময় নেন তিনি। একই দলের আব্দুল মোতালেব ২২.১৩ সেকেন্ড নিয়ে দ্বিতীয় ও বিমান বাহিনীর নাঈম ইসলাম ২২.২৭ সেকেন্ড নিয়ে হয়েছেন তৃতীয়।
ইমরানুর পড়ে যাওয়াতে স্বর্ণ জিততে পেরেছেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান বলেন, ‘ইমরান ভাই থাকলে হয়তো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো। তবে স্বর্ণ আমিই জিততাম।’
১০.৬৪ সেকেন্ড নিয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্ট জেতেন ইমরানুর। মেয়েদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে অংশ নেননি দ্রুততম মানবী সুমাইয়া দেওয়ান। তা সত্ত্বেও সোনা জিততে পারেননি শিরিন আক্তার দ্বিতীয় হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাঁকে। সোনা জিততে শারিফা সময় নিয়েছেন ২৫.২৪ সেকেন্ড। সেখানে শিরিন সময় নেন ২৫.২৭ সেকেন্ড। ২৫.৮৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় বিকেএসপির মিম আক্তার।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২০ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে