
ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে কোমো ১৯০৭। ইতালিয়ান ক্লাবটি নিজেদের যুব একাডেমিতে খেলোয়াড়দের জন্য হেড নিষিদ্ধ করেছে। মূলত মাথায় আঘাতজনিত ঝুঁকি কমাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোমো।
ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খেলোয়াড়েরা শারীরিক ও কারিগরি দিক থেকে উপযুক্ত হয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে। ক্লাবটির নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি অর্জনের পর ধাপে ধাপে খেলোয়াড়দের হেড করার সঠিক কৌশল শেখানো হবে।
কোমোর শিক্ষা বোর্ডের সদস্য এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটবলে মাথায় আঘাতের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা এবং আমাদের শিশুদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি, তা আমি বহুবার বলেছি। তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজন স্পষ্ট নিয়ম, মানসম্মত প্রশিক্ষণ, সচেতনতা এবং এমন একটি সংস্কৃতি, যেখানে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।’
ভারানে আরও যোগ করেন, ‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়দের অপ্রয়োজনীয় মাথায় বল লাগার ঘটনা কমে যাবে, যখন তাদের মস্তিষ্ক এখনও বিকাশের পর্যায়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে নিয়ন্ত্রিত ও ধাপে ধাপে সঠিক পদ্ধতিতে তাদের হেড করার কৌশল শেখানো হবে।’
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনূর্ধ্ব-১১ বয়সভিত্তিক খেলোয়াড়দের জন্য হেড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ পর্যায়ে কর্নারের পরিবর্তে নিচু থ্রো-ইনের মাধ্যমে খেলা পুনরায় শুরু করা হবে। অনূর্ধ্ব-১২ (ইউ-১২) থেকে সীমিত পরিসরে হেডের অনুশীলন চালু করা যাবে। শুরুতে ব্যবহার করা হবে হালকা রাবারের বল। তবে মাসে সর্বোচ্চ একবার এমন অনুশীলনের অনুমতি থাকবে এবং প্রতিটি সেশনে একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ পাঁচবার হেড করতে পারবে।
এ ছাড়া কোমোর একাডেমির সব বয়সভিত্তিক দলের কোচদের খেলোয়াড়দের বারবার বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে হেডের অনুশীলন করানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত বাতাস ভর্তি শক্ত বল ব্যবহার না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জিম্বাবুয়ে সফরে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ভারত। টানা দুই জয়ে সিরিজ নিশ্চিতের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছে শ্রেয়াশ আইয়ারের দল। শীর্ষে উঠার পথে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলেছে তারা। অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান আটে।
৮ মিনিট আগে
গোলের পর কত রকমই উদযাপন করতে দেখা যায়। কেউ গোলের পর আকাশের দিকে তাকিয়ে উদযাপন করেন। কেউবা আনন্দের আতিশয্যে জার্সি খুলে ফেলেন। সেই তুলনায় এবার লুইস সুয়ারেজের উদযাপন একটু ব্যতিক্রম। গোলের পর সতীর্থ ফুটবলারের জার্সি হাতে নিয়ে উদযাপন করেছেন সুয়ারেজ।
৪১ মিনিট আগে
বল এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে যেতেই মেহেদী হাসান মিরাজের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, সেঞ্চুরির পর উদযাপন—বুঝতেই পারছেন, এখানে ঘটনার প্রেক্ষাপট আসলে কী। ২০২২ সালে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে হয়েছিলেন সিরিজসেরা। চার বছর পর যখন দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ, মিরাজের মন পড়ে
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে এখন ক্লাব ফুটবলে ফেরার পালা। তবে নিউজার্সিতে গত ১৯ জুলাই ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর লিওনেল মেসি আর মাঠে ফেরেননি। তাঁকে ছাড়াই নিয়মিত খেলছে ইন্টার মায়ামি। এবার তাঁর খেলা হচ্ছে না এমএলএস অল স্টার ম্যাচেও।
৪ ঘণ্টা আগে