বাড়ি-গাড়ির প্রতি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শখ তো অন্যরকম। কোটি কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ি যেমন রয়েছে, তেমনি বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে তাঁর। লিসবনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বাড়ি বানাচ্ছেন রোনালদো। তবে পর্তুগিজ তারকা ফুটবলারের বাড়ির কাজে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা।
লিসবনে রোনালদোর বিলাসবহুল বাড়ির কাজের তিন বছর হয়ে গেছে। প্রথমে বাড়িটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছিল ১৩ মিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১৪০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। পরে সেই খরচ বেড়ে গিয়ে হয় ৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি ৩৮৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা)। বাড়ির কাজ শেষ হতে কমপক্ষে আরও এক বছর লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাড়ির কাজ এখনো শেষ না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন প্রতিবেশীরা। বিরক্তি প্রকাশ করে প্রতিবেশীরা বলেছেন, ‘তারা তিন বছর ধরে বাড়ি বানাচ্ছে। বাড়িটা এত বড় যে দেখে মনে হচ্ছে হাসপাতাল। বাড়ির সামনের রাস্তা মাসের পর মাস বন্ধ। আমার বাগান ধুলোয় ভর্তি। সবকিছুই রোনালদোর পিরামিডের কারণে হচ্ছে।’
রোনালদোর বিলাসবহুল বাড়িতে রয়েছে কাচের তৈরি বিশাল সুইমিংপুল। পানির নিচে হাঁটাচলার জন্য ওয়াকওয়ে বানানো হয়েছে। পেশাদার ক্যারিয়ার শেষ হলে পরিবার নিয়ে থাকার পরিকল্পনাতেই হয়তো তাঁর এই বাড়ি বানানো। ৩৮ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ও ক্লাব ফুটবলে খেলে যাচ্ছেন পর্তুগিজ এই তারকা ফুটবলার। এখন তিনি খেলছেন আল নাসর ক্লাবে।

ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
১২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আক্ষেপের নাম হয়ে থাকল পেনাল্টি মিস। স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছেন ব্রুনো গিমারেস। একই সঙ্গে সামনে উঠে আসছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ব্রাজিলের। সেই হারের অন্যতম মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত ছিল প্রথমার্ধে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি মিস। ম্যাচ শেষে সেই ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার।
১ ঘণ্টা আগে
গিমারেসকে পেনাল্টি নিতে দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। ক্লাব ফুটবলে গত মৌসুমে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে দুটি পেনাল্টিই সফলভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। তবে তিনি দলের নিয়মিত পেনাল্টি নেওয়ার খেলোয়াড় ছিলেন না। এমনকি নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে তিনটি পেনাল্টি নিয়েছেন তিনি। ২০২৫–২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের
৩ ঘণ্টা আগে