
ফেডারেশন কাপে শুরুতেই হোঁচট খেল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে ফর্টিস এফসির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা। দিনটা অন্য রকম কেটেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে আজ ৩-২ গোলে পুলিশ এফসিকে হারিয়েছে তারা। তিনটি গোলই আসে স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের কাছ থেকে।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডেডলক ভাঙেন দোরিয়েলতন। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণের জন্য বল বাড়ান রাইটব্যাক তাজ উদ্দিন। ইমানুয়েল সানডে তা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর এক ফুটবলারকে কাটিয়ে পাস দেন মোহাম্মদ রাকিবের কাছে। তাঁর ক্রস থেকে দারুণ প্লেসিংয়ে বল জালে জড়ান দোরিয়েলতন।
মাঝমাঠ থেকে আক্রমণের সুর বেঁধে দেন তাজ উদ্দিন। বক্সের সামনে বল পেয়ে ফর্টিসের একজনকে কাটিয়ে ইমানুয়েল সানডে বল তুলে দেন রাকিবের পায়ে। পোস্টের সামেন থেকে গোলে শট না নিয়ে জাতীয় দলের উইঙ্গার ক্রস দিলে প্লেসিং শটে লক্ষ্যভেদ করেন দরিয়েলতন গোমেজ।
পিছিয়ে পড়ে ফর্টিসও মরিয়া হয়ে ওঠে কিছুটা। সাজ্জাদ হোসেন বসুন্ধরা গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণকে একা পেয়েও পারেননি গোল করতে। ৮৫ মিনিটে ফর্টিসের ত্রাতা হয়ে ওঠেন বসুন্ধরার ডিফেন্ডার তারিক কাজী। তাঁর আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে ফর্টিস। রাজ উদ্দিন সাগরের উড়িয়ে মারা বল দৌড়ে এসে ধরার চেষ্টা করেন শ্রাবণ। কিন্তু তারিকের সঙ্গে ধাক্কায় বল তাঁর হাত ফসকে পড়ে যায়। পরে তা তারিকের পায়ে লেগে গড়িয়ে যায় ফাঁকা পোস্টে। তাতে আর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি বসুন্ধরা।
কুমিল্লায় দুবার পিছিয়ে পড়ে মোহামেডান। ৯ মিনিটে ইসা ফয়সালের গোলে এগিয়ে যায় পুলিশ এফসি। জবাবে মোহামেডান ফিরে আসে দুই মিনিট পরই। সমতা ফেরান বোয়াটেং। ৩০ মিনিটে দানিলো কুইপাপার লক্ষ্যভেদে ফের এগিয়ে যায় পুলিশ এফসি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফের দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় মোহামেডান। ৪৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর পর ৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বোয়াটেং।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে