এবারের বিশ্বকাপে কোচের চাকরি চলে যাওয়ার ঘটনা যেন খুবই সাধারণ ব্যাপার। দল নকআউট পর্ব থেকে বাদ পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোচের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। দলটির সঙ্গে আট বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে সান্তোসের।
পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ) গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ খবর। সান্তোসের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। এফপিএফ বলেছে, ‘২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, সেই সফল পথচলা শেষ হলো অবশেষে। পর্তুগালের ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ শেষে এফপিএফ ও ফার্নান্দো সান্তোস, দুই পক্ষই বুঝতে পেরেছে নতুন করে সবকিছু শুরু করার এখনই সময়। আমরা এখন নতুন কোচ বেছে নেওয়ার জন্য কাজ শুরু করব।’
সান্তোসের শেষ সময়টা অবশ্য ভালো কাটেনি। শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনাল দুই ম্যাচেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই মূল একাদশ সাজিয়েছিলেন তিনি। রোনালদোকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামানোয় অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছিল তাকে। এমন ঘটনাই কি সান্তোসের সঙ্গে পর্তুগালের বিচ্ছেদের কারণ, সে ব্যাপারে বিদায়ী কোচ কিছু বলেননি। তবে তেমন কিছুরই ইঙ্গিত করেছেন সান্তোস। পর্তুগিজ কোচ বলেন, ‘আপনি যখন কোনো দল চালাবেন, কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। এটা স্বাভাবিক যে আমার সিদ্ধান্তে সবাই খুশি হয়নি। দলের জন্য ভালো হবে এমন সিদ্ধান্তই আমি নিচ্ছিলাম।’
২০১৪-এর ২৩ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সান্তোস। দীর্ঘ আট বছরে তাঁর অধীনে পর্তুগাল খেলেছিল ১০৯ ম্যাচ। জিতেছে ৬৮ ম্যাচ, ড্র ২১ ম্যাচ এবং ২০ ম্যাচ হেরেছিল।

ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
১২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আক্ষেপের নাম হয়ে থাকল পেনাল্টি মিস। স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছেন ব্রুনো গিমারেস। একই সঙ্গে সামনে উঠে আসছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ব্রাজিলের। সেই হারের অন্যতম মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত ছিল প্রথমার্ধে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি মিস। ম্যাচ শেষে সেই ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার।
১ ঘণ্টা আগে
গিমারেসকে পেনাল্টি নিতে দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। ক্লাব ফুটবলে গত মৌসুমে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে দুটি পেনাল্টিই সফলভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। তবে তিনি দলের নিয়মিত পেনাল্টি নেওয়ার খেলোয়াড় ছিলেন না। এমনকি নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে তিনটি পেনাল্টি নিয়েছেন তিনি। ২০২৫–২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের
৩ ঘণ্টা আগে